রোববার (১ মার্চ) দুপুরে বায়তুল মোকাররম প্রাঙ্গণে ইরানের ওপর হামলা এবং আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর প্রতিবাদে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দলের নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল অবিলম্বে ইরানে হামলা বন্ধ না করলে জামায়াতে ইসলামী বৃহত্তর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবে।
আত্মীয় বক্তব্যে এটিএম আজহারুল ইসলাম ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘ইরানের শাহেনশাহের বিরুদ্ধে শত শত বছর লড়াই করেছিল দেশটির জালিম সম্প্রদায়। ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লব এই লড়াইয়ের ফসল। এ শক্তিকে টিকিয়ে রাখার জন্য বিশ্বের মোড়লরা অনেক চেষ্টা করেছে, কিন্তু জনগণের সামনে তারা পালিয়ে গেছে। তাই জনগণ এ অপ্রতিহত শক্তি হিসাব করবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘শুধু গণতন্ত্রের কথা বলা যথেষ্ট নয়; গণতন্ত্রকে নিজের দেশেও এবং অন্যান্য দেশেও রক্ষা করতে হবে। দেশগুলোতে গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হলে বিশ্বের অন্য দেশগুলোও স্থিতিশীল থাকতে পারবে না।’
মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিরতায় জাতিসংঘ ও মুসলিম বিশ্বের সংগঠন ওআইসিকে দায়িত্ব পালনের আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি। এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, ‘জাতিসংঘ আজকাল কয়েকটি শক্তিধর দেশের প্রভাবের অধীনে রয়েছে এবং শান্তিকামী দেশগুলোর পক্ষে কাজ করে না। ওআইসি যদি যথাযথ দায়িত্ব না নেয়, জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করবে।’
তিনি সতর্ক করেছেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা দীর্ঘস্থায়ী হলে বাংলাদেশসহ অনেক দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। জিনিসপত্র ও তেলের দাম বেড়ে সাধারণ জনগণের জীবনযাপন কঠিন হয়ে যাবে।’
জামায়াতের এই বক্তব্যে প্রতিশোধমূলক কর্মসূচি ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকার প্রতি উদ্বেগ স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
কসমিক ডেস্ক