শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা ৫৩ মিনিটে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল কেঁপে উঠেছে। ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প কেন্দ্র (ইএমএসসি) জানায়, রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.৩। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলা। খুলনা জেলা শহর থেকে কম্পনের কেন্দ্র ৪৭ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং সাতক্ষীরা শহর থেকে ১৮ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থান করছিল। ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ৩৫ কিলোমিটার।
রাজধানী ঢাকা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা এবং পার্শ্ববর্তী ভারতের কিছু এলাকাতেও কম্পন অনুভূত হয়েছে। তবে এ মুহূর্তে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ফেব্রুয়ারির শুরু থেকেই দেশে একের পর এক ভূকম্পন অনুভূত হচ্ছে। ১ ফেব্রুয়ারি সিলেটে ৩ মাত্রার একটি মৃদু কম্পন রেকর্ড করা হয়। ৩ ফেব্রুয়ারি একই দিনে তিন দফা ভূকম্পন অনুভূত হয়, যার মধ্যে সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ৪.১ মাত্রার কম্পন ঘটেছে। একই সময় মিয়ানমারে ৫.৯ এবং ৫.২ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে, যার প্রভাব বাংলাদেশেও অনুভূত হয়।
পরবর্তীতে ৯ ও ১০ ফেব্রুয়ারি সিলেটে আরও দুইবার কম্পন টের পাওয়া গেছে। সবশেষ ১৯ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জের ছাতকে ৪.১ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। সব মিলিয়ে ফেব্রুয়ারিতে দেশে মোট আটবার ভূকম্পনের ঘটনা ঘটেছে, যা ভূমিকম্পের তীব্রতা ও সম্প্রতি এই অঞ্চলে ভূ-সেচনামূলক কার্যক্রমের সঙ্গে মানুষের সচেতনতার গুরুত্বকে সামনে এনেছে।
কসমিক ডেস্ক