২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনাল ঘিরে ফুটবল বিশ্বে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ও সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, তিনি চাইলে ফাইনাল ম্যাচে চ্যাম্পিয়ন দলের হাতে বিশ্বকাপ ট্রফি তুলে দেওয়ার দায়িত্বে থাকতে পারেন।
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো যৌথভাবে আয়োজন করতে যাওয়া এই বিশ্বকাপের ফাইনাল মঞ্চে আয়োজক দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের উপস্থিতি স্বাভাবিক বিষয়। ফিফার প্রচলিত প্রথা অনুযায়ী ফাইনালের পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে সাধারণত ফিফা সভাপতি এবং আয়োজক দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব উপস্থিত থাকেন। সেই ধারাবাহিকতায় ট্রাম্পের সম্ভাব্য উপস্থিতিকে ঘিরে ইতোমধ্যেই কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
ফুটবল ইতিহাসে দেখা গেছে, পূর্ববর্তী আসরগুলোতেও আয়োজক দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা ট্রফি হস্তান্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। কাতার বিশ্বকাপে আমির, রাশিয়া বিশ্বকাপে প্রেসিডেন্ট এবং ব্রাজিল বিশ্বকাপে প্রেসিডেন্টের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে ট্রাম্পের অংশগ্রহণ নতুন কিছু নয়, বরং ঐতিহ্যেরই ধারাবাহিকতা।
ফিফা সূত্রে জানা গেছে, আয়োজক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে কানাডা ও মেক্সিকোর শীর্ষ নেতৃত্বকেও। তবে ফাইনাল ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই ট্রাম্পের উপস্থিতি নিয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প যদি সত্যিই ফাইনালে উপস্থিত থাকেন, তবে সেটি বিশ্বকাপ ফাইনালকে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক দিক থেকেও আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে। একই সঙ্গে বিশ্বকাপের ঐতিহাসিক মঞ্চে নতুন একটি মাত্রা যোগ হবে বলে মনে করছেন ফুটবল সংশ্লিষ্টরা।
ফিফা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করেনি, তবে সম্ভাব্য এই উপস্থিতিকে ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে আগ্রহ ক্রমেই বাড়ছে। অনেকেই মনে করছেন, ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনাল শুধু খেলাই নয়, বরং একটি বৈশ্বিক ইভেন্ট হিসেবে ইতিহাসে বিশেষ স্থান করে নেবে।
কসমিক ডেস্ক