চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে ১১৮টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৫০টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আনোয়ারা উপজেলার ২৮টি এবং কর্ণফুলী উপজেলার ২২টি কেন্দ্র প্রশাসনের নজরদারিতে রাখা হয়েছে।
আনোয়ারা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সাইফুল আলম জানিয়েছেন, গোয়েন্দা সংস্থা, পুলিশ, প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের যৌথ তদন্তের ভিত্তিতে এসব কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে। যাতায়াত সুবিধা, উপজেলা সদর থেকে দূরত্ব এবং পূর্বের নির্বাচনের সহিংসতার ইতিহাস বিবেচনা করা হয়েছে।
ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর মধ্যে রয়েছে পূর্ব বৈরাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গোবাদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ গহিরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বটতলী এসএম আউলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চাতরী ইউনিয়ন বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, হাইলধর বশিরুজ্জামান স্মৃতি শিক্ষা কেন্দ্র, শিকলবাহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং দক্ষিণ জুইদন্ডী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
নির্বাচনের দিন রায়পুর ইউনিয়নের দক্ষিণ গহিরা কেন্দ্রে মোট ৫,১৭০ ভোটার রয়েছেন। নদীর পাশ দিয়ে বেড়িবাঁধ পার হয়ে এই কেন্দ্রে যাতায়াত করতে হয়, যা নিরাপত্তা ও চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে।
জুঁইদন্ডী কেন্দ্রে ৩,৭৭৬ ভোটার থাকায় এবং পূর্ব নির্বাচনে আগুন দিয়ে ব্যালট বাক্স পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটায়, এখানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। হাইলধর কেন্দ্রে ৪,৩৪২ ভোটার থাকলেও সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের প্রভাব থাকায় আওয়ামী লীগের আধিপত্য বেশি।
আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুনায়েদ চৌধুরী জানিয়েছেন, প্রতিটি কেন্দ্রে দুই পুলিশ এবং ১৩ আনসার সদস্য সার্বক্ষণিক কাজ করবেন। অতিরিক্ত পুলিশ যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার তাহমিনা আক্তার জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন, সেনাবাহিনী, র্যাব, বিজিবি ও কোস্টগার্ড অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট নিশ্চিত করতে সবসময় প্রস্তুত।
কসমিক ডেস্ক