চৌদ্দগ্রামে ২৫ কেন্দ্রে ধানের শীষের এজেন্ট অনুপস্থিত The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

চৌদ্দগ্রামে ২৫ কেন্দ্রে ধানের শীষের এজেন্ট অনুপস্থিত

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Feb 12, 2026 ইং
চৌদ্দগ্রামে ২৫ কেন্দ্রে ধানের শীষের এজেন্ট অনুপস্থিত ছবির ক্যাপশন:

কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের ভোটকেন্দ্রের এজেন্টদের অনুপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। নির্বাচনের প্রথম দিন বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পর সরেজমিনে দেখা গেছে, আলকরা ও গুণবতী ইউনিয়নের প্রায় ১৯টি কেন্দ্র এবং জগন্নাথদিঘী ইউনিয়নের ৫টি কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকের কোনো এজেন্ট উপস্থিত ছিলেন না।

প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগের রাতে ধানের শীষের এজেন্টদের তালিকা জমা দেওয়া হয়েছিল। তবে ভোটার উপস্থিতির শুরুতে কোনো এজেন্ট কেন্দ্রগুলোতে উপস্থিত হননি এবং প্রার্থীর পক্ষ থেকেও কোনো যোগাযোগ করা হয়নি।

গুণবতী ইউনিয়নের বুধড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র ও গুণবতী বহুমুখী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে, ধানের শীষের কোনো এজেন্ট নেই। তবে বাংলাদেশ কংগ্রেসের ডাব প্রতীক, জামায়াতে ইসলামের দাঁড়িপাল্লা প্রতীক এবং মুক্তিজোটের ছড়ি প্রতীকের এজেন্টরা উপস্থিত ছিলেন।

বুধড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা কাজী মোহাম্মদ সেলিম জানান, “সকাল থেকে ধানের শীষ প্রতীকের কোনো এজেন্ট যোগাযোগ করেননি। প্রার্থীর পক্ষ থেকেও কোনো বার্তা পাইনি।” একই ধরনের মন্তব্য করেছেন গুণবতী বহুমুখী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা।

এছাড়া জগন্নাথ ইউনিয়নের আতাকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সকালে দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিএনপি প্রার্থী মো. কামরুল হুদা অভিযোগ করেন, এই ঘটনায় জামায়াতে ইসলামের অনুসারীদের বিরুদ্ধে দায়ের অভিযোগ এসেছে।

জগন্নাথদিঘী ইউনিয়নের পায়েলখোলা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে ধানের শীষ প্রতীকের এক এজেন্টকে বের করে দেওয়ারও অভিযোগ ওঠে। আলকরা ও গুণবতী ইউনিয়নের কয়েকটি কেন্দ্রে ধানের শীষ সমর্থকদের প্রবেশেও বাধা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

বিএনপি প্রার্থী কামরুল হুদা বলেন, “গুণবতী ও আলকরা ইউনিয়নের সব কেন্দ্র এবং জগন্নাথদিঘী ইউনিয়নের অধিকাংশ কেন্দ্র থেকে আমার এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। ধানের শীষ সমর্থকদের ভোটকেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। কেউ যদি ধানের শীষে ভোট দিতে চাইলে জোর করে অন্য প্রতীকে সিল দিয়ে বের করা হয়েছে। এ বিষয়ে বারবার প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছি।”

উপজেলা প্রশাসনের বক্তব্য নেওয়ার জন্য সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নুরুল আমিনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

নির্বাচন নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু করার জন্য স্থানীয় পর্যায়ে প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা অত্যন্ত জরুরি। ভোটকেন্দ্রে কোনো প্রার্থীর এজেন্ট অনুপস্থিত থাকা এবং সমর্থকদের প্রবেশে বাধা প্রদানের ঘটনা ভবিষ্যতে নির্বাচনী অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
বিপিএলে পাঁচ দলের বকেয়া মিটল, অপেক্ষায় শুধু ঢাকা

বিপিএলে পাঁচ দলের বকেয়া মিটল, অপেক্ষায় শুধু ঢাকা