দল ছাড়ার কারণ জানালেন রেজা কিবরিয়া, তুললেন ইসরায়েল প্রসঙ্গ The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

দল ছাড়ার কারণ জানালেন রেজা কিবরিয়া, তুললেন ইসরায়েল প্রসঙ্গ

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jan 14, 2026 ইং
দল ছাড়ার কারণ জানালেন রেজা কিবরিয়া, তুললেন ইসরায়েল প্রসঙ্গ ছবির ক্যাপশন:
ad728

গণ অধিকার পরিষদ থেকে সরে যাওয়ার বিষয়ে মুখ খুলেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও অর্থনীতিবিদ ড. রেজা কিবরিয়া। তিনি অভিযোগ করেছেন, যে দল ইসরায়েলিদের অর্থায়নে পরিচালিত হয়, সেই দলে তার পক্ষে থাকা সম্ভব নয়। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

সাক্ষাৎকারে ড. রেজা কিবরিয়া বলেন, “আমি এমন কোনো রাজনৈতিক দলে থাকতে পারি না, যে দল ইসরায়েলিদের টাকায় চলে বা ইসরায়েলিদের অধীনে পরিচালিত হয়।” গণ অধিকার পরিষদ ছাড়ার সিদ্ধান্তের পেছনে এটিই মূল কারণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

নিজের রাজনৈতিক দলবদল নিয়ে ওঠা প্রশ্নের জবাবে রেজা কিবরিয়া বলেন, তিনি প্রথমে গণফোরামের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে সেখানে অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও কৌশলগত মতপার্থক্যের কারণে তিনি আর সক্রিয় থাকতে পারেননি। বিশেষ করে সংসদে যোগ দেওয়া বা বর্জন করা নিয়ে দলের ভেতরে বিভক্তি তৈরি হয়েছিল বলে জানান তিনি।

গণ অধিকার পরিষদে যোগ দেওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রয়াত ড. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর অনুরোধ ও চাপেই তিনি ওই দলে যোগ দেন। “ডক্টর জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে আমি অত্যন্ত সম্মান করতাম। উনি আমাকে খুব জোর দিয়েছিলেন গণ অধিকার পরিষদে যেতে। সেই সম্মান থেকেই আমি সেখানে কিছুদিন ছিলাম,” বলেন রেজা কিবরিয়া।

তবে দলটিতে থাকার বিষয়টি তার কাছে দীর্ঘমেয়াদে সম্ভব হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, পরে বিভিন্ন তথ্য ও ঘটনার মাধ্যমে বিষয়টি তার কাছে স্পষ্ট হতে থাকে। রেজা কিবরিয়ার ভাষায়, “আগে থেকে এসব বিষয় আমি জানতাম না। পরে একটি মিটিংয়ের তথ্য মিডিয়াতে প্রকাশ হয়। এরপর ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত বলেন, নূরুল হক নূরের সঙ্গে তিনটি জায়গায় মোসাদের বৈঠক হয়েছে। তখন আমি নিশ্চিত হই যে, এই দলে থাকা আমার পক্ষে সম্ভব নয়।”

তিনি আরও বলেন, এসব তথ্য সামনে আসার পর তার নৈতিক ও রাজনৈতিক অবস্থান থেকে সরে দাঁড়ানো ছাড়া আর কোনো বিকল্প ছিল না। বিষয়টি তার ব্যক্তিগত রাজনৈতিক আদর্শ ও বিশ্বাসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মন্তব্য করেন তিনি।

রেজা কিবরিয়ার এই বক্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে গণ অধিকার পরিষদ এবং দলটির নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে এখনো গণ অধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এমন বক্তব্য দেশের রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিতে পারে এবং ভবিষ্যতে বিরোধী রাজনীতির সমীকরণেও প্রভাব ফেলতে পারে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
দুই মাস না যেতেই শ্রম আইন সংশোধনে চাপ

দুই মাস না যেতেই শ্রম আইন সংশোধনে চাপ