জনতা ব্যাংকের ১৩৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সালমান এফ রহমানসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

জনতা ব্যাংকের ১৩৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সালমান এফ রহমানসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jan 10, 2026 ইং
জনতা ব্যাংকের ১৩৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সালমান এফ রহমানসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা ছবির ক্যাপশন:
ad728

রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংক থেকে রপ্তানি ঋণের নামে বিপুল অঙ্কের অর্থ আত্মসাৎ ও বিদেশে পাচারের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা এবং বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমানসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, জনতা ব্যাংক পিএলসি’র লোকাল অফিস, ঢাকার মাধ্যমে ‘কোজি অ্যাপারেলস লিমিটেড’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল (ইডিএফ) ও অন্যান্য ঋণ সুবিধা অনুমোদন ও বিতরণ করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রকৃত রপ্তানি না করেই কাগুজে রপ্তানি দেখানো হয় এবং ভুয়া নথিপত্র ব্যবহার করে বিপুল অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়।

এজাহারে বলা হয়েছে, রপ্তানির বিপরীতে প্রাপ্ত বৈদেশিক মুদ্রা দেশে ফেরত না এনে আসামিরা যোগসাজশে ১ কোটি ৪৬ লাখ ৯৬ হাজার ৩৩২ দশমিক ৬০ মার্কিন ডলার আত্মসাৎ করেন। ২০২২ সালের গড় বিনিময় হার অনুযায়ী এর পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১৩৬ কোটি ৬৮ লাখ টাকা।

মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে সাবেক সংসদ সদস্য সালমান ফজলুর রহমানকে, যিনি বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া বেক্সিমকো গ্রুপের সংশ্লিষ্ট পরিচালক ও কর্মকর্তারা, ‘কোজি অ্যাপারেলস লিমিটেড’-এর শীর্ষ পর্যায়ের ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তারা এবং জনতা ব্যাংকের সাবেক ও তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি), উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) ও কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক (জিএম/ডিজিএম)সহ মোট ২২ জনকে আসামি করা হয়েছে।

দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিরা পরস্পরের সঙ্গে যোগসাজশে জাল দলিলপত্র তৈরি করে ইডিএফ ও অন্যান্য ঋণ সুবিধা গ্রহণ করেন। পরবর্তী সময়ে ওই অর্থ বিভিন্ন স্তরে স্থানান্তর, রূপান্তর ও স্তরীকরণের (লেয়ারিং) মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা হয়। এর ফলে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন জনতা ব্যাংক এবং ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডাররা গুরুতর আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে।

মামলায় দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৪০৯ (বিশ্বাসভঙ্গ), ৪২০ (প্রতারণা), ৪৬৭, ৪৬৮ ও ৪৭১ (জাল দলিল ও জালিয়াতি), ৪৭৭এ (হিসাব জাল) এবং ১০৯ ধারায় অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। পাশাপাশি দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (সংশোধিত ২০১৫)-এর ৪ ধারায়ও মামলা করা হয়েছে।

দুদক জানিয়েছে, চলমান তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হবে এবং সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে আইনানুগ সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ফিজকে বাদ দিয়ে বিপাকে বিসিসিআই, আলোচনায় ফেরানোর প্রস্তাব

ফিজকে বাদ দিয়ে বিপাকে বিসিসিআই, আলোচনায় ফেরানোর প্রস্তাব