বৃষ্টির কারণে রাজধানী ঢাকার বায়ুর মানে কিছুটা উন্নতি হয়েছে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল ৯টা ২০ মিনিটে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার (IQAir)-এর প্রকাশিত সর্বশেষ সূচক অনুযায়ী, ঢাকার এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (AQI) ছিল ৬৬। এই স্কোরকে মাঝারি (Moderate) পর্যায়ের বায়ুমান হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
সর্বশেষ তালিকায় বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর মধ্যে ঢাকার অবস্থান ৪১তম। বৃষ্টিপাতের কারণে বাতাসে ভাসমান ধুলাবালি ও দূষণকারী কণার পরিমাণ কমে যাওয়ায় রাজধানীর বায়ুমানে এই উন্নতি দেখা গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আইকিউএয়ারের তথ্যমতে, শুক্রবারের তালিকায় সবচেয়ে দূষিত শহর ছিল ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা। শহরটির AQI স্কোর ছিল ১৬৬, যা অস্বাস্থ্যকর (Unhealthy) পর্যায়ে পড়ে। দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল উগান্ডার রাজধানী কাম্পালা, যার স্কোর ১৬৪। তৃতীয় স্থানে ছিল ইসরায়েলের একটি শহর, যার AQI স্কোর ১২০ এবং চতুর্থ অবস্থানে ছিল ভারতের রাজধানী দিল্লি, যার স্কোর ১১৭।
আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, AQI স্কোর ০ থেকে ৫০ হলে বায়ুর মান ভালো হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ স্কোর মাঝারি, ১০১ থেকে ১৫০ সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর, ১৫১ থেকে ২০০ অস্বাস্থ্যকর, ২০১ থেকে ৩০০ খুব অস্বাস্থ্যকর এবং ৩০১ থেকে ৪০০ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে গণ্য করা হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বৃষ্টির সময় বাতাসে থাকা ক্ষুদ্র দূষণকারী কণা ধুয়ে যাওয়ায় সাময়িকভাবে বায়ুর মান উন্নত হয়। তবে বৃষ্টি থেমে গেলে যানবাহনের ধোঁয়া, শিল্পকারখানার নির্গমন এবং নির্মাণকাজের ধুলাবালির কারণে দূষণের মাত্রা আবারও বাড়তে পারে।
শিশু, প্রবীণ, শ্বাসকষ্ট ও হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য বায়ুর মান নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে AQI ১০০-এর বেশি হলে অপ্রয়োজনীয় বাইরে অবস্থান সীমিত রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
কসমিক ডেস্ক