ব্রিটেনের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো Andy Burnham-এর নেতৃত্বে। ক্ষমতাসীন Labour Party-এর নেতা হিসেবে তিনি দেশটির ৫৯তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
সাংবিধানিক রীতি অনুযায়ী Charles III তাঁকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানান। এরপর Buckingham Palace-এ আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে তিনি 10 Downing Street-এ ফিরে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম ভাষণেই বার্নহ্যাম জীবনযাত্রার ব্যয়সংকট মোকাবেলায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দেন। তিনি জানান, ২১ জুলাই ২০২৬ থেকে জরুরি উদ্যোগ শুরু হবে, যা সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তি বয়ে আনবে।
‘কিং অব দ্য নর্থ’ নামে পরিচিত এই নেতা বলেন, ব্রিটেনের মানুষ এখন পরিবর্তন, স্থিতিশীলতা এবং নতুন আশার প্রত্যাশা করছে। তিনি রাজনৈতিক বিভাজন ভুলে জনগণের আস্থা পুনর্গঠন, অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের প্রতিটি অঞ্চলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন।
বার্নহ্যাম বিশেষভাবে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ এবং স্থানীয় নেতৃত্বকে শক্তিশালী করার ওপর জোর দেন। তাঁর মতে, দেশের উন্নয়ন কেবল রাজধানীকেন্দ্রিক হওয়া উচিত নয়; বরং যুক্তরাজ্যের সব অঞ্চলের সমান উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে।
এছাড়া গৃহহীনতা হ্রাস, আবাসন নির্মাণ, শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবার প্রসারে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
এদিকে দায়িত্ব হস্তান্তরের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ছাড়েন Keir Starmer। বিদায়ী বক্তব্যে তিনি দেশ ও দলের জন্য কাজ করার সুযোগ পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং নতুন প্রধানমন্ত্রীর সফলতা কামনা করেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বার্নহ্যামের নেতৃত্বে ব্রিটেনে আঞ্চলিক উন্নয়ন, অর্থনৈতিক ভারসাম্য এবং স্থানীয় সরকারের ক্ষমতায়ন আরও গুরুত্ব পাবে। এখন দেখার বিষয়, তিনি তাঁর প্রতিশ্রুত পরিবর্তন কতটা সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে পারেন।
কসমিক ডেস্ক