৫০০ হার্টজ মোশন সেন্সর নিয়ে আসছে ফিফা বিশ্বকাপের নতুন বল The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

৫০০ হার্টজ মোশন সেন্সর নিয়ে আসছে ফিফা বিশ্বকাপের নতুন বল

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : May 26, 2026 ইং
৫০০ হার্টজ মোশন সেন্সর নিয়ে আসছে ফিফা বিশ্বকাপের নতুন বল ছবির ক্যাপশন: ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের অফিসিয়াল বল ‘ট্রাইওন্ডা’, উন্নত সেন্সর প্রযুক্তি সমৃদ্ধ

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপকে ঘিরে ফুটবল বিশ্বে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে নতুন অফিসিয়াল ম্যাচ বল ‘ট্রাইওন্ডা’। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো—এই তিন আয়োজক দেশকে সম্মান জানিয়ে অ্যাডিডাস তৈরি করেছে এই আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বলটি।

২০২৬ বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো অংশ নেবে ৪৮টি দল। ১৬টি শহরে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় এই আসর। এর আগে থেকেই নতুন প্রযুক্তির কারণে আলোচনায় উঠে এসেছে ‘ট্রাইওন্ডা’, যা কেবল একটি বল নয়, বরং আধুনিক ফুটবলের ডাটা-ড্রিভেন ভবিষ্যতের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এই বলের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো উন্নত সেন্সর প্রযুক্তি। বলের ভেতরে বসানো হয়েছে একটি ৫০০ হার্টজ মোশন সেন্সর চিপ, যা প্রতি সেকেন্ডে বহুবার ডেটা সংগ্রহ করতে সক্ষম। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে বলের অবস্থান, গতি, দিক এবং খেলোয়াড়ের স্পর্শ সম্পর্কিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে সংগ্রহ করা যাবে।

ফলে ভিএআর (ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি) সিদ্ধান্ত আরও নির্ভুল ও দ্রুত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। অফসাইড, হ্যান্ডবল বা গোল-লাইন সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

‘ট্রাইওন্ডা’ বলের ডিজাইনে ব্যবহার করা হয়েছে তিন আয়োজক দেশের জাতীয় পতাকার রঙ—নীল, লাল এবং সবুজ। এই নকশা শুধু সৌন্দর্য নয়, বরং প্রতীকীভাবে উত্তর আমেরিকার তিন দেশকে একসঙ্গে উপস্থাপন করে।

বলটির ভেতরের সেন্সর সিস্টেম অত্যন্ত হালকা, যার ওজন মাত্র ১৪ গ্রাম। অ্যাডিডাস জানিয়েছে, সেন্সর এমনভাবে বসানো হয়েছে যাতে বলের স্বাভাবিক ওজন, গতি বা বাউন্সে কোনো প্রভাব না পড়ে। অর্থাৎ খেলোয়াড়রা আগের মতোই স্বাভাবিকভাবে বল নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এর পাওয়ার সিস্টেম। ম্যাচ শুরুর আগে এই বল চার্জ করতে হবে। একবার সম্পূর্ণ চার্জ হলে এটি প্রায় ৬ ঘণ্টা পর্যন্ত সক্রিয় থাকবে, যা একটি পূর্ণ ম্যাচ এবং অতিরিক্ত সময়ের জন্য যথেষ্ট।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রযুক্তি ফুটবলকে আরও বিশ্লেষণভিত্তিক খেলায় পরিণত করবে। কোচ, রেফারি এবং বিশ্লেষকদের জন্য এটি রিয়েল-টাইম ডেটা সরবরাহ করবে, যা কৌশল নির্ধারণে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

তবে কিছু সমালোচক মনে করছেন, অতিরিক্ত প্রযুক্তি ফুটবলের স্বাভাবিক প্রবাহে প্রভাব ফেলতে পারে। যদিও ফিফা ও অ্যাডিডাসের দাবি, এই প্রযুক্তি খেলার সৌন্দর্য নষ্ট না করে বরং সিদ্ধান্ত গ্রহণকে আরও স্বচ্ছ ও নির্ভুল করবে।

সব মিলিয়ে ‘ট্রাইওন্ডা’ শুধু ২০২৬ বিশ্বকাপের একটি বল নয়, বরং ফুটবলের প্রযুক্তিগত বিবর্তনের একটি নতুন অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
যেভাবে ‘সিরিয়াল কিসার’ ইমেজ পেলেন ইমরান হাশমি

যেভাবে ‘সিরিয়াল কিসার’ ইমেজ পেলেন ইমরান হাশমি