চলমান ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের উত্তেজনার মধ্যেই শুরু হয়েছে ২০৩০ ফিফা বিশ্বকাপকে ঘিরে আলোচনা। কারণ এই আসরটি হবে বিশ্বকাপের শতবর্ষের আয়োজন। ইতিহাসের এই বিশেষ উপলক্ষে প্রথমবারের মতো তিন মহাদেশজুড়ে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল আসর।
ফিফার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০৩০ বিশ্বকাপের মূল আয়োজক হবে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কো। পাশাপাশি বিশ্বকাপের শতবর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী তিনটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়েতে।
স্বাগতিক দেশের মর্যাদায় এই ছয়টি দেশই সরাসরি ২০৩০ বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলার সুযোগ পাবে। তবে দক্ষিণ আমেরিকার তিন দেশ—উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়ে—স্বাগতিক হলেও নিজেদের অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে অংশ নেবে।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে ১৯৩০ সালে প্রথম আসরের আয়োজন করেছিল উরুগুয়ে। সেই টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়নও হয়েছিল দেশটি। রানার্সআপ ছিল আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপের শতবর্ষ উপলক্ষে এই দুই ঐতিহাসিক দেশকে বিশেষভাবে সম্মান জানাতেই তাদের উদ্বোধনী ম্যাচ আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে প্যারাগুয়ে দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল সংস্থা কনমেবল (CONMEBOL)-এর সদর দপ্তরের দেশ হওয়ায় তাকেও শতবর্ষের এই আয়োজনের অংশ করেছে ফিফা।
ফিফার প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩০ বিশ্বকাপের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ছয়টি দেশের মোট ১৮টি শহর ও ২১টি স্টেডিয়ামে। এটি বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ এবং দীর্ঘতম আসর হতে যাচ্ছে।
প্রাথমিক সূচি অনুযায়ী, ২০৩০ ফিফা বিশ্বকাপ শুরু হবে ৮ জুন এবং ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ২১ জুলাই। ফলে প্রায় দেড় মাসব্যাপী এই টুর্নামেন্টে বিশ্বের সেরা দলগুলো শিরোপার জন্য লড়বে।
২০৩০ বিশ্বকাপে সরাসরি খেলা নিশ্চিত ৬ দেশ
- 🇪🇸 স্পেন
- 🇵🇹 পর্তুগাল
- 🇲🇦 মরক্কো
- 🇺🇾 উরুগুয়ে
- 🇦🇷 আর্জেন্টিনা
- 🇵🇾 প্যারাগুয়ে
বিশ্বকাপের শতবর্ষ উদযাপনে তিন মহাদেশজুড়ে এমন আয়োজন ফুটবল ইতিহাসে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করবে বলে মনে করছেন ক্রীড়া বিশ্লেষকরা।
কসমিক ডেস্ক