বাংলাদেশের টেক্সটাইল খাত মারাত্মক সংকটে পড়েছে। বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)-এর সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল জানিয়েছেন, দেশের অন্তত ৫০টি টেক্সটাইল মিল বন্ধ হয়ে গেছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, নিজের একটি কটন মিলও বন্ধ হয়ে গেছে, ফলে ভবিষ্যতে তিনি ‘টেক্সটাইলবিহীন’ সভাপতি হয়ে যেতে পারেন।
বিটিএমএ সভাপতি দেশের টেক্সটাইল খাতকে বাঁচাতে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, শুধু মিল নয়, প্রায় ৫০টি সুতাকলও বন্ধ হয়ে গেছে, যা পুরো খাতের কার্যক্রমকে প্রভাবিত করছে।
গতকাল রবিবার রাজধানীর গুলশান ক্লাব মিলনায়তনে বিটিএমএ আয়োজিত মতবিনিময়সভায় এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। সভাটি আয়োজন করা হয়েছিল ‘স্পিনিং সেক্টরে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যমান বহুমুখী সমস্যার সমাধান ও সরকারের করণীয় বিষয়ে সুপারিশ প্রণয়ন’ উদ্দেশ্যে।
বিটিএমএ সভাপতি বলেন, “এখন ব্যবসায় সংকট, অর্থনীতিতে সংকট, রাজনীতিতে সংকট। ভারতের সুতা বাংলাদেশে ডাম্পিং হচ্ছে, যার দাম আমাদের বাজারের তুলনায় ৩০ সেন্ট কম। এই পরিস্থিতি খাতের জন্য বড় ধরনের হুমকি সৃষ্টি করছে।”
তিনি সরকারের কাছে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে দেশের টেক্সটাইল খাতের কর্মসংস্থান, উৎপাদন ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করা যায়।
কসমিক ডেস্ক