বিএনপির সঙ্গে আসন সমঝোতা না হলে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করার পক্ষে মত দিয়েছে গণ অধিকার পরিষদের বেশির ভাগ নেতা। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।
সোমবার দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির বৈঠকে বিএনপির সঙ্গে সমঝোতার বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে উপস্থিত নেতাদের একটি বড় অংশ কম আসনে সমঝোতায় না গিয়ে প্রয়োজনে এককভাবে নির্বাচনে যাওয়ার পক্ষে মত দেন।
সম্প্রতি রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি খবর ছড়িয়ে পড়ে যে, বিএনপি গণ অধিকার পরিষদকে দুটি আসন ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ওই খবর অনুযায়ী, পটুয়াখালী–৩ আসনে দলের সভাপতি নুরুল হক এবং ঝিনাইদহ–২ আসনে সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খানের জন্য আসন ছেড়ে দেওয়ার কথা ভাবছে বিএনপি। এই তথ্য প্রকাশের পর দলটির নেতাদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়।
দলীয় সূত্র জানায়, রোববার বিএনপি ও গণ অধিকার পরিষদের মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে গণ অধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে ১০টি আসনে সমঝোতার প্রস্তাব দেওয়া হলেও বিএনপি প্রাথমিকভাবে মাত্র দুটি আসনে সমঝোতার কথা জানায়। এই অবস্থানকে অনেক নেতা অসম্মানজনক বলে মনে করেন।
এ বিষয়ে দলের সভাপতি নুরুল হক সোমবার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমকে বলেন, দলের বৈঠকে নেতারা মত দিয়েছেন যে গণ–অভ্যুত্থানের পর জনগণের যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, এত কম আসনে সমঝোতা তা পূরণ করে না। বরং এমন সমঝোতা মেনে নিলে তা গণ অধিকার পরিষদের জন্য আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপির সঙ্গে কম আসনে সমঝোতায় না গিয়ে প্রয়োজনে আলাদাভাবে নির্বাচন করার বিষয়ে দলের বেশির ভাগ নেতা একমত হয়েছেন। এ নিয়ে শিগগিরই আবার বৈঠক হবে, সেখানেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
কসমিক ডেস্ক