দীর্ঘ ১৭ বছর ৩ মাস ১৫ দিন পর দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ২৫ ডিসেম্বর দুপুর ১২টায় ঢাকার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন তিনি, সঙ্গে থাকছেন কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। দেশে প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে বিএনপি বিশেষ সংবর্ধনার আয়োজন করছে। খিলক্ষেত থানার ৩০০ ফুট এলাকা সংবর্ধনা দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
বিএনপির অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সারা দেশের জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন থেকে নেতা-কর্মীরা ঢাকায় আসবেন। রাজধানীতে আসা তৃণমূল নেতা-কর্মীদের জন্য সাতটি বিশেষ ট্রেন লাইন বুকিংয়ের আবেদন করা হয়েছে। এ ছাড়া বিপুলসংখ্যক মানুষ বাস, ট্রাক, মাইক্রো, লঞ্চ ও ব্যক্তিগত যানবাহনে ঢাকায় যোগ দেবেন। উত্তরাঞ্চলের নেতা-কর্মীদের গাড়িবহর টঙ্গীর ইজতেমা মাঠে রাখা হবে এবং সেখানে থেকে তারা বিমানবন্দর সড়কে যোগ দেবেন।
স্মরণীয় সংবর্ধনার আয়োজনের অংশ হিসেবে গুলশান ও নয়াপল্টন কার্যালয় নতুন করে সাজানো হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা’ নিয়োগ, বুলেটপ্রুফ গাড়ি প্রস্তুত ও ডগ স্কোয়াডসহ পুলিশি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিমানবন্দর থেকে এভারকেয়ার হাসপাতাল ও গুলশানের বাসভবন পর্যন্ত যাত্রাপথে বহুস্তর নিরাপত্তাবলয় তৈরি করা হয়েছে। এসএসএফ, ঢাকা মহানগর পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা এবং সোয়াট টিম দায়িত্ব পালন করবে।
বাংলাদেশে ফেরার আগে সিলেট এমএজি ওসমানী বিমানবন্দরে ৫৫ মিনিটের যাত্রাবিরতি থাকবে। বিমানবন্দর থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে অসুস্থ মা বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে যাবেন তারেক রহমান।
বিএনপির কেন্দ্রীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও অভ্যর্থনা কমিটির প্রধান সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন স্মরণীয় রাখার জন্য জেলা-উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দলের প্রস্তুতি অনুযায়ী, সকল আয়োজন বিগত ৫৫ বছরের ইতিহাসকে ছাড়িয়ে যাবে এবং আগামী ৫৫ বছরের ইতিহাসে এক স্মরণীয় ঘটনা হিসেবে থাকবে।
২০০৭ সালে গ্রেপ্তারের পর ২০০৮ সালে মুক্তি পেয়ে চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যাওয়া তারেক রহমান ২৫ ডিসেম্বর দীর্ঘদিনের নির্বাসনের পর দেশে ফিরছেন।
কসমিক ডেস্ক