ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দলে Neymar Jr.-এর উপস্থিতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা চলছে। বয়স, চোট এবং ফর্ম—সব মিলিয়ে তার ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও ব্রাজিল সমর্থকদের বড় অংশের কাছে নেইমার এখনো এক অদম্য আশা ও অনুপ্রেরণার নাম।
মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের উদ্বোধনী ম্যাচে কাফ ইনজুরির কারণে তিনি মাঠে নামতে পারেননি। বেঞ্চে বসেই পুরো ম্যাচ দেখতে হয় তাকে। তবে মাঠে না থাকলেও ম্যাচজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন এই তারকা ফরোয়ার্ড।
স্টেডিয়ামে উপস্থিত অনেক ব্রাজিলিয়ান সমর্থক নেইমারের জার্সি গায়ে হাজির হন। তাদের মতে, ব্রাজিল দলে এমন একজন খেলোয়াড় থাকা প্রয়োজন, যিনি একাই ম্যাচের গতিপথ বদলে দিতে পারেন। ভক্তদের চোখে তিনি এখনো দলের সবচেয়ে বড় ম্যাচ-উইনার।
ম্যাচের শুরুতে ব্রাজিল কিছুটা চাপে ছিল। মাঝমাঠে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দলটি বারবার বিপদে পড়ে এবং প্রথমার্ধে গোলও হজম করে। পরে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের দুর্দান্ত গোলে সমতা ফেরালেও পুরো ম্যাচে আক্রমণাত্মক সৃজনশীলতার ঘাটতি স্পষ্ট ছিল।
এই জায়গাতেই বারবার উঠে এসেছে নেইমারের নাম। অনেক বিশ্লেষকের মতে, তার অনুপস্থিতি ব্রাজিলের আক্রমণে গতি ও কল্পনাশক্তির ঘাটতি তৈরি করছে। যদিও ভিনিসিয়ুস কিছু মুহূর্তে ব্যক্তিগত দক্ষতায় উজ্জ্বল ছিলেন, কিন্তু দলের সামগ্রিক সমন্বয় প্রত্যাশিত ছিল না।
ব্রাজিলের ইতিহাসে পেলে, রোনালদো, রোনালদিনহো ও কাকার মতো কিংবদন্তিদের উত্তরসূরি হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে বিবেচিত হয়ে আসছেন নেইমার। তবে এখনো তার বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন অপূর্ণ রয়ে গেছে। ফলে এই আসরকে ঘিরে তার ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রত্যাশাও তুঙ্গে।
ম্যাচ শেষে ব্রাজিল ও মরক্কো উভয় দলের খেলোয়াড়রাই নেইমারের সঙ্গে দেখা করতে এগিয়ে আসেন, যা তার জনপ্রিয়তা ও প্রভাবকে আরও একবার প্রমাণ করে।
সব মিলিয়ে চোটের কারণে মাঠের বাইরে থাকলেও নেইমারই এখনো ব্রাজিলের সবচেয়ে আলোচিত নাম। ২০২৬ বিশ্বকাপে শিরোপা জয়ের স্বপ্নে তার প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষায় রয়েছে পুরো দেশ।
কসমিক ডেস্ক