দীপু দাসকে পোড়ানোর আগে গাছে ঝুলানো সেই যুবক গ্রেপ্তার The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

দীপু দাসকে পোড়ানোর আগে গাছে ঝুলানো সেই যুবক গ্রেপ্তার

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jan 1, 2026 ইং
দীপু দাসকে পোড়ানোর আগে গাছে ঝুলানো সেই যুবক গ্রেপ্তার ছবির ক্যাপশন: ভালুকায় দীপু দাসকে হত্যা ও আগুনে পোড়ানোর ঘটনায় গ্রেপ্তার অভিযুক্ত অনিক
ad728

ময়মনসিংহের ভালুকায় দীপু দাসকে নির্মমভাবে হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে আগুন দেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত নিবির ইসলাম অনিককে (২০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের আগে দীপুকে গাছে ঝুলিয়ে আগুন ধরানোর ঘটনায় সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে গাজীপুরের টঙ্গী পশ্চিম থানাধীন চেরাগআলী এলাকা থেকে মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেলে আটক করা হয়। পুলিশ বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

গ্রেপ্তার অনিক ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ধানীখোলা (মধ্য ভাটিবাড়ি) গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম মো. কালিমুল্লাহ। তিনি ভালুকার একটি পোশাক কারখানায় নিটিং অপারেটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তবে হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই তিনি কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ঘটনাটি ঘটে গত ১৮ ডিসেম্বর। ওই দিন দীপু দাসকে হত্যা করে রশি দিয়ে গাছে ঝুলিয়ে আগুন ধরানো হয়। এই নৃশংস ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি দীপুর নিথর দেহ নিয়ে নির্মম আচরণ করছে।

পরদিন নিহত দীপু দাসের ছোট ভাই অপু চন্দ্র দাস বাদী হয়ে ভালুকা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা ১৫০ জনকে আসামি করা হয়। এরপর থেকেই পুলিশ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে।

পুলিশ জানায়, ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সাদা শার্ট পরিহিত এক যুবক দীপুর নিথর দেহ রশি দিয়ে গাছে টেনে তুলছেন। প্রযুক্তির সহায়তায় ওই যুবককে শনাক্ত করে নিবির ইসলাম অনিক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ঘটনার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে চলে যান।

অনিককে গ্রেপ্তারের জন্য ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক অভিযান চালানো হয়। সর্বশেষ ঢাকার বনানী ও গাজীপুরের চেরাগআলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ময়মনসিংহ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এই মামলায় এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচজন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বাকি জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও এতে জড়িত সবার ভূমিকা উদঘাটনে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে। এই নৃশংস ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
গাজা ইস্যুতে নেতানিয়াহুকে অপহরণের আহ্বান পাকিস্তানের প্রতিরক

গাজা ইস্যুতে নেতানিয়াহুকে অপহরণের আহ্বান পাকিস্তানের প্রতিরক