ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনের মিডিয়া সেন্টার, ক্যামেরা ক্রু ও টেকনিক্যাল টিম ভাষণ ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় সব সরঞ্জাম পরীক্ষা–নিরীক্ষা করেছে। ধারণ করা ভাষণ নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত ওয়েব প্ল্যাটফর্ম ও দেশের বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে সম্প্রচার করা হবে। ভাষণের ভিডিও প্রি-এডিট ও সাউন্ড টেস্টিংও চূড়ান্ত স্তরে রয়েছে।
কমিশনের কর্মকর্তারা বলছেন, রাজনৈতিক পরিবেশ, প্রার্থী অস্থিরতা ও মাঠের পরিস্থিতি বিবেচনায় তফসিল ঘোষণাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তফসিল ঘোষণা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলো মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দিতে পারবে। এরপর ধারাবাহিকভাবে যাচাই-বাছাই, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের শুনানি, আপিল, প্রতীক বরাদ্দ, প্রচারণা— সব আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়ে যাবে।
এদিকে রাজনৈতিক দলগুলোর দৃষ্টি এখন একেবারেই নির্বাচন কমিশনের দিকে। তফসিল ঘোষণার তারিখ নিয়ে আলোচনা–সমালোচনা তুঙ্গে থাকলেও কমিশন এ বিষয়ে নীরবতা বজায় রেখেছে। তবে কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন, “সব প্রক্রিয়া প্রায় শেষ, এখন শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা।
কসমিক ডেস্ক