কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর ৬৭ সদস্যবিশিষ্ট আংশিক আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। সংগঠনটির কার্যক্রমকে আরও সুসংগঠিত ও গতিশীল করার লক্ষ্যে আগামী তিন মাসের জন্য এই কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (২৩ মে) রাতে এনসিপি কুড়িগ্রাম জেলা শাখার আহ্বায়ক মো. মুকুল মিয়া ও সদস্য সচিব মো. মামুন মিয়া স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন কমিটির কাঠামো ও নেতৃত্বের নাম প্রকাশ করা হয়।
নতুন কমিটিতে মো. সাখাওয়াত হোসাইনকে আহ্বায়ক এবং মো. রেজাউল করিমকে সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বাহারুল ইসলাম, মামুন মিয়া ও মাহবুবুর রহমানকে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
কমিটির অন্যান্য কাঠামোর মধ্যে ছয়জনকে যুগ্ম আহ্বায়ক, পাঁচজনকে যুগ্ম সদস্যসচিব এবং ৫১ জনকে সাধারণ সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে। সংগঠনটি আশা করছে, এই বৃহৎ কমিটি স্থানীয় পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রম আরও বিস্তৃত ও শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখবে।
নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক মো. সাখাওয়াত হোসাইন বলেন, উলিপুর উপজেলায় সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রম সম্প্রসারণই তাদের মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও সামাজিক উন্নয়নে তারা একসঙ্গে কাজ করবেন।
এনসিপি নেতারা মনে করছেন, নতুন কমিটির মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক সংগঠন আরও সক্রিয় হবে এবং তরুণ ও নতুন নেতৃত্ব বিকাশের সুযোগ তৈরি হবে। তিন মাসের এই আংশিক কমিটির কার্যক্রম পর্যালোচনা করে পরবর্তী সময়ে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কুড়িগ্রামের মতো সীমান্তবর্তী জেলায় রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর সক্রিয়তা বৃদ্ধি পাওয়া স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন গতিশীলতা আনতে পারে। বিশেষ করে তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠন বিস্তৃত হলে সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডেও তার প্রভাব পড়তে পারে।
বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন দল ও সংগঠন তাদের সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে এনসিপির এই কমিটি গঠনকে স্থানীয় রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
উলিপুরে নতুন এই কমিটি দায়িত্ব নেওয়ার পর সংগঠনের কার্যক্রম, সদস্য সংগ্রহ এবং স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসূচি বাস্তবায়নে কী ধরনের অগ্রগতি আসে, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আগ্রহ রয়েছে।
কসমিক ডেস্ক