বলিউডের জনপ্রিয় জুটি রণবীর সিং ও দীপিকা পাড়ুকোনের জীবনে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়েছেন ‘ধুরন্ধর : দ্য রিভেঞ্জ’ সিনেমার সফলতার প্রেক্ষাপটে। সিনেমাটি বক্স অফিসে ঝড় তোলার সঙ্গে সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনারও মুখোমুখি হয়। বিশেষত দীপিকার নীরবতা দর্শক ও সমালোচকদের কৌতূহল সৃষ্টি করেছিল। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন, রণবীরের হিট সিনেমা নিয়ে স্ত্রী হিসেবে দীপিকার কোনো প্রতিক্রিয়া নেই কেন।
সমালোচনার উত্তরে অবশেষে দীপিকা নিজেই সরাসরি প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি সংক্ষিপ্ত পোস্টে লিখেছেন, “আমি তো অনেক আগেই ছবিটা দেখে ফেলেছি, তোমাদের সবার আগেই। এখন বলো, আসলে কে হাসির পাত্র?” এই সরাসরি ও তীক্ষ্ণ মন্তব্যে কার্যত সমালোচকদের মুখ বন্ধ হয়ে গেছে বলে মনে করছেন সিনেমা বিশেষজ্ঞরা।
এটি শুধু দীপিকার সাফল্য উদযাপন নয়, বরং তাঁর নিজস্ব স্ট্যান্ডও প্রদর্শন করেছে। যদিও তিনি প্রকাশ্যে প্রশংসা জানাননি, তবে জানা গেছে, ব্যক্তিগতভাবে তিনি স্বামী রণবীর সিংয়ের নতুন সিনেমা সমর্থন করেছেন। এর আগে ‘ধুরন্ধর’-এর প্রথম পর্ব মুক্তির সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় দীপিকা প্রকাশ্যে প্রশংসা করেছিলেন।
সিনেমা মুক্তির পর রণবীর ও দীপিকাকে একাধিকবার একসঙ্গে সময় কাটাতে দেখা গেছে। এই ছবি দুজনের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করেছে এবং প্রমাণ করেছে যে তারা একে অপরের প্রতি সমর্থন জোরদারভাবে দেখাতে পারেন।
‘ধুরন্ধর : দ্য রিভেঞ্জ’ একটি স্পাই-অ্যাকশন থ্রিলার, যা ইতিমধ্যেই হাজার কোটি রুপির ক্লাবে প্রবেশ করেছে। সিনেমার রেকর্ড ভাঙার পথে থাকা এবং বক্স অফিসে সাফল্য অর্জনের খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকে সমালোচনা কিছুটা নীরব হয়ে গেছে।
দীপিকার সংক্ষিপ্ত পোস্টটি দেখিয়ে দিয়েছে যে কখনো কখনো নীরবতাই একটি শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া হতে পারে। অভিনেত্রী নিজস্ব ধারাবাহিকতা এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় তীক্ষ্ণ মন্তব্যের মাধ্যমে সমালোচকদের মুখ বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছেন। বলিউড বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ঘটনা দীপিকার ব্যক্তিত্ব ও পেশাদারিত্বের পরিচায়ক।
এছাড়া, সিনেমার সাফল্যের সঙ্গে সঙ্গে রণবীরের অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে। সিনেমার প্রেক্ষাপট, অ্যাকশন দৃশ্য এবং স্পাই-থ্রিলার গল্পের কারণে দর্শকরা সিনেমাটিকে ব্যাপকভাবে পছন্দ করেছেন। দীপিকার এই কড়া মন্তব্যও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
পরিশেষে বলা যায়, ‘ধুরন্ধর : দ্য রিভেঞ্জ’ শুধু বক্স অফিসে নয়, সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনার মোকাবিলাতেও সফল হয়েছে। দীপিকার সংক্ষিপ্ত কিন্তু তীক্ষ্ণ প্রতিক্রিয়া একবারে সকল সমালোচকের নজর কেড়েছে এবং প্রমাণ করেছে যে কখনো কখনো নীরবতা নিজেই শক্তিশালী বক্তব্য বহন করতে পারে।