যমুনা নদীর বুকে জেগে ওঠা চরগুলোতে এবারও কাঁচা মরিচের ব্যাপক আবাদ হয়েছে। দেশি মরিচের পাশাপাশি হাইব্রিড জাতের মরিচও চরে ফলেছে। বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার মির্জাপুর চরাঞ্চল ও খেয়াঘাট এলাকায় সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত নারীরা দলবেঁধে মরিচ তুলছেন।
চরের নারীদের জন্য মরিচ তোলা শুধু কাজ নয়; এটি তাদের সংসারের এক গুরুত্বপূর্ণ আয়ের উৎস। ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তার মাঝেও তারা লাল–সবুজ মরিচ সংগ্রহ করছেন, যা পরে নৌকা বা ভ্যানের মাধ্যমে স্থানীয় বাজারে পৌঁছায়।
খেয়াঘাটে মরিচ বিক্রির দৃশ্যও চোখে পড়ার মতো। নৌকা ও ছোট যানবাহরে ভরা মরিচ সরাসরি পাইকার ও বিক্রেতাদের কাছে যায়। চাষিরা জানান, চরাঞ্চলের মরিচের স্বাদ ও গুণমান বাজারে চাহিদা বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে নদীর হঠাৎ পানি বৃদ্ধি বা বন্যা হলে এ আবাদও ঝুঁকির মধ্যে পড়ে।
যমুনার চর তাই শুধু নদীর বুকে জেগে ওঠা ভূমি নয়; বরং এটি লাল–সবুজ মরিচে সেজে মানুষের পরিশ্রম, স্বপ্ন এবং টিকে থাকার গল্পের এক প্রতিফলন।
কসমিক ডেস্ক