সমন্বিত কৃষি প্রকল্পে মালিকানা পেলেন ১ হাজার উদ্যোক্তাv The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

সমন্বিত কৃষি প্রকল্পে মালিকানা পেলেন ১ হাজার উদ্যোক্তাv

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jul 26, 2026 ইং
সমন্বিত কৃষি প্রকল্পে মালিকানা পেলেন ১ হাজার উদ্যোক্তাv ছবির ক্যাপশন:

বগুড়ার কাহালু উপজেলায় গড়ে ওঠা দেশের প্রথম কমিউনিটি ভিত্তিক এগ্রো ট্যুরিজম প্রকল্প ‘সুখের খামার এগ্রো ভিলেজ’-এ এক হাজার উদ্যোক্তার হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে জমির দলিল হস্তান্তর করা হয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর ধানমণ্ডির ম্যারিয়ট কনভেনশন হলে আয়োজিত ‘ফাউন্ডারস নাইট ২০২৬’ অনুষ্ঠানে এই দলিল প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এমপি। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান মো. তাসদীখ হাবীব, ব্যবস্থাপনা পরিচালক জোবায়ের ইসলাম, উপদেষ্টা ও অ্যাডভাইজরি কমিটির সদস্যরা।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা তৈরিতে সরকার কাজ করছে। তিনি ‘সুখের খামার’-এর মতো উদ্যোগকে সৃজনশীল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের প্রকল্পে সহায়তার আশ্বাস দেন।

প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান মো. তাসদীখ হাবীব বলেন, এই প্রকল্পে ফাউন্ডাররা শুধু বিনিয়োগকারী নন, তারা প্রকৃত মালিক ও অংশীদার। তাদের আস্থা ও অংশগ্রহণই প্রকল্পের মূল শক্তি। ব্যবস্থাপনা পরিচালক জোবায়ের ইসলাম জানান, এটি শুধু একটি কৃষি খামার নয়, বরং একটি সমন্বিত গ্রামীণ উন্নয়ন মডেল, যা ব্যবসার পাশাপাশি সামাজিক পরিবর্তনও ঘটাবে।

শরীয়াহভিত্তিক মুশারাকা পদ্ধতিতে পরিচালিত এই প্রকল্পে অংশীদাররা জমি, খামার ও রিসোর্টের আইনি মালিকানা পাচ্ছেন—যা দেশে বিরল উদ্যোগ। ইতোমধ্যে প্রকল্পের শেয়ারের মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের আস্থার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, গত দেড় বছরে এটি স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নারীর স্বাবলম্বিতা এবং পর্যটন খাতের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে এই উদ্যোগ। ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক মানের রিসোর্ট, ধর্মীয় ও সামাজিক অবকাঠামো নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

সব মিলিয়ে, ‘সুখের খামার এগ্রো ভিলেজ’ বাংলাদেশের কৃষি, বিনিয়োগ ও গ্রামীণ উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।বগুড়ার কাহালু উপজেলায় গড়ে ওঠা দেশের প্রথম কমিউনিটি ভিত্তিক এগ্রো ট্যুরিজম প্রকল্প ‘সুখের খামার এগ্রো ভিলেজ’-এ এক হাজার উদ্যোক্তার হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে জমির দলিল হস্তান্তর করা হয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর ধানমণ্ডির ম্যারিয়ট কনভেনশন হলে আয়োজিত ‘ফাউন্ডারস নাইট ২০২৬’ অনুষ্ঠানে এই দলিল প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এমপি। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান মো. তাসদীখ হাবীব, ব্যবস্থাপনা পরিচালক জোবায়ের ইসলাম, উপদেষ্টা ও অ্যাডভাইজরি কমিটির সদস্যরা।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা তৈরিতে সরকার কাজ করছে। তিনি ‘সুখের খামার’-এর মতো উদ্যোগকে সৃজনশীল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের প্রকল্পে সহায়তার আশ্বাস দেন।

প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান মো. তাসদীখ হাবীব বলেন, এই প্রকল্পে ফাউন্ডাররা শুধু বিনিয়োগকারী নন, তারা প্রকৃত মালিক ও অংশীদার। তাদের আস্থা ও অংশগ্রহণই প্রকল্পের মূল শক্তি। ব্যবস্থাপনা পরিচালক জোবায়ের ইসলাম জানান, এটি শুধু একটি কৃষি খামার নয়, বরং একটি সমন্বিত গ্রামীণ উন্নয়ন মডেল, যা ব্যবসার পাশাপাশি সামাজিক পরিবর্তনও ঘটাবে।

শরীয়াহভিত্তিক মুশারাকা পদ্ধতিতে পরিচালিত এই প্রকল্পে অংশীদাররা জমি, খামার ও রিসোর্টের আইনি মালিকানা পাচ্ছেন—যা দেশে বিরল উদ্যোগ। ইতোমধ্যে প্রকল্পের শেয়ারের মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের আস্থার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, গত দেড় বছরে এটি স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নারীর স্বাবলম্বিতা এবং পর্যটন খাতের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে এই উদ্যোগ। ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক মানের রিসোর্ট, ধর্মীয় ও সামাজিক অবকাঠামো নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

সব মিলিয়ে, ‘সুখের খামার এগ্রো ভিলেজ’ বাংলাদেশের কৃষি, বিনিয়োগ ও গ্রামীণ উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
প্রধান নির্বাচক নিয়োগে বিলম্ব, মার্চ পর্যন্ত থাকছেন লিপু

প্রধান নির্বাচক নিয়োগে বিলম্ব, মার্চ পর্যন্ত থাকছেন লিপু