ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় ঘুমন্ত স্বামীকে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রী শিখা বেগমের বিরুদ্ধে। শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার নুরুল্লাগঞ্জ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম বাকপুরা গ্রামের নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। আহত স্বামী মারুফ মাতুব্বরকে (৩৮) প্রথমে সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এলাকাবাসী ও স্বজনদের বরাতে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে মারুফ মাতুব্বর স্ত্রী শিখা বেগমকে (৩০) নিয়ে নিজ বাড়িতে ছিলেন। একপর্যায়ে ঘুমন্ত অবস্থায় তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ। ব্যথায় মারুফ চিৎকার করলে পরিবারের সদস্যরা এগিয়ে আসেন। পরে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়।
মারুফের বড় ভাই রেজাউল মাতুব্বর জানান, তার ভাই বর্তমানে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি নারায়ণগঞ্জ শহরের একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন এবং সাধারণত প্রতি বৃহস্পতিবার বাড়িতে আসেন ও শনিবার সকালে কর্মস্থলে ফিরে যান।
রেজাউল মাতুব্বর আরও জানান, মারুফ ও তার স্ত্রীর মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে দাম্পত্য কলহ চলছিল। তবে ওই বিরোধের কারণ বা ঘটনার বিস্তারিত সম্পর্কে তিনি আর কিছু জানাননি।
ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, খবর পাওয়ার পর শুক্রবার রাতেই ওই বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আহত মারুফ ঢাকায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার স্ত্রী শিখা বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং হামলার পেছনে কী ঘটেছিল, তা তদন্তের পরই বিস্তারিত জানা যাবে। বর্তমানে আহত মারুফ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং তার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।
কসমিক ডেস্ক