বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল Hasan Mahmud Khan-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত Abdullah Ali Al Hamoudi।
সোমবার (৮ জুন) বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দুই দেশের প্রতিনিধিরা পারস্পরিক কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও সামরিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেন।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশেষ করে প্রতিরক্ষা খাতে কারিগরি সহায়তা, প্রশিক্ষণ বিনিময় এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
উভয় পক্ষই মত প্রকাশ করেন যে, দুই দেশের দীর্ঘদিনের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি হবে।
বিমান বাহিনী সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে আধুনিক সামরিক প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম এবং দক্ষতা উন্নয়ন সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়েও মতবিনিময় করা হয়। এছাড়া আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্র নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
বাংলাদেশ বিমান বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বজায় রেখে আসছে। এর ধারাবাহিকতায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে সম্পর্কও ক্রমশ উন্নত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ আলী আল হামুদি বৈঠকে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা আরও গভীর করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তিগত খাতে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও সম্প্রসারিত হতে পারে।
বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক সাক্ষাৎ দুই দেশের প্রতিরক্ষা ও কৌশলগত সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করে। একই সঙ্গে প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ বিনিময়ের মাধ্যমে সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হয়।
সব মিলিয়ে, বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এই সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ও কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদারের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
কসমিক ডেস্ক