সব নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট প্রণয়ন করা হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

সব নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট প্রণয়ন করা হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jun 3, 2026 ইং
সব নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট প্রণয়ন করা হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী ছবির ক্যাপশন: সব নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট প্রণয়ন করা হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশের আসন্ন বাজেট প্রণয়ন করা হচ্ছে দেশের প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে। তিনি বলেন, বাজেটের মূল লক্ষ্য হলো দরিদ্র, নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠী এবং সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

বুধবার (৩ জুন) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে মঙ্গলবার রাজধানীতে অর্থনৈতিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) আয়োজিত ‘বাজেট ২০২৬-২৭ : প্রত্যাশা ও বাস্তবতা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বাজেটের দিকনির্দেশনা তুলে ধরেন।

সেমিনারে অর্থমন্ত্রী বলেন, অতীতে বাংলাদেশের বাজেটে সবচেয়ে বেশি বঞ্চিত হয়েছে নিম্ন আয়ের মানুষ। তাই এবার বাজেট প্রণয়নে শুরু থেকেই দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে গৃহিণীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে বলে তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, কামার, কুমার, তাঁতি, ক্ষুদ্র কারুশিল্পী, থিয়েটারকর্মী এবং সাংস্কৃতিককর্মীদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করতে নতুন একটি ‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে তাদের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন, ঋণ সুবিধা, ডিজাইন সহায়তা, ব্র্যান্ডিং এবং বাজারজাতকরণে সহায়তা দেওয়া হবে।

অর্থমন্ত্রীর মতে, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি শুধুমাত্র শিল্প-কারখানা বা বড় অবকাঠামো খাত থেকে আসে না। বরং সংস্কৃতি, ক্রীড়া, কারুশিল্পসহ সৃজনশীল খাতও জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি বলেন, “জিডিপি শুধু বড় শিল্প বা উৎপাদন খাতের ওপর নির্ভর করে না। আমাদের সংস্কৃতি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডও অর্থনীতির অংশ এবং তা দেশের প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখতে সক্ষম।”

সরকারের এই নতুন দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, প্রান্তিক ও অপ্রচলিত পেশার মানুষদের অর্থনৈতিক কাঠামোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন কর্মসংস্থান বাড়বে, অন্যদিকে সামাজিক বৈষম্য কমানোর সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ ধারণা বাস্তবায়ন করা গেলে দেশের সাংস্কৃতিক ও ক্ষুদ্র শিল্পখাত নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে। তবে এই কর্মসূচি সফল করতে কার্যকর নীতি, প্রশিক্ষণ এবং বাজার ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে।

সব মিলিয়ে, আসন্ন বাজেটকে কেন্দ্র করে সরকারের লক্ষ্য হলো একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক কাঠামো তৈরি করা, যেখানে দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ উন্নয়নের অংশীদার হতে পারবে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
সাইবার সুরক্ষা আইনের প্রথম মামলার পলাতক আসামি আটক

সাইবার সুরক্ষা আইনের প্রথম মামলার পলাতক আসামি আটক