দক্ষিণ ইরানে আবারও সামরিক হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের লক্ষ্য ছিল ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা এবং মাইন পেতে চেষ্টা করা নৌযানগুলো।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড এক বিবৃতিতে এই হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আত্মরক্ষার উদ্দেশ্যে’ এই হামলা চালানো হয়েছে এবং ইরানি বাহিনীর সম্ভাব্য হুমকি থেকে মার্কিন সেনাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করাই এর মূল লক্ষ্য।
সেন্ট্রাল কমান্ডের এক মুখপাত্র আরও বলেন, চলমান পরিস্থিতি ও উত্তেজনার মধ্যেও মার্কিন বাহিনী সংযম প্রদর্শন করে নিজেদের নিরাপত্তা বজায় রাখার চেষ্টা করছে।
এদিকে এই হামলার ঘটনা এমন সময় ঘটেছে, যখন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় কিছু অগ্রগতি হয়েছে। তবে সংঘাত পুরোপুরি শেষ করার জন্য কোনো চূড়ান্ত চুক্তি বা সমঝোতা ‘তাৎক্ষণিকভাবে হওয়ার সম্ভাবনা নেই’ বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সর্বশেষ মার্কিন হামলার বিষয়ে এখনো ইরানের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে চলমান কূটনৈতিক আলোচনা ও সম্ভাব্য শান্তিচুক্তির ওপর এই হামলার কী প্রভাব পড়বে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের এই উত্তেজনা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি ও বাণিজ্য ব্যবস্থায়ও এর প্রভাব পড়তে পারে।
কসমিক ডেস্ক