এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকালে তিনি রাজধানীর মিরপুর এলাকার একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে পরীক্ষার পরিবেশ সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।
পরিদর্শন করা কেন্দ্রগুলোর মধ্যে ছিল মিরপুর-১০ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, কাজীপাড়া সিদ্দিকিয়া ফাজিল মাদ্রাসা এবং শহীদ পুলিশ স্মৃতি কলেজ। দলটির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক পোস্টে এই তথ্য জানানো হয়।
কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় শফিকুর রহমান পরীক্ষার্থীদের সার্বিক অবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। তিনি তাদের সুস্থতা ও সফলতা কামনা করে দোয়া করেন এবং মানসিকভাবে শক্ত থাকার পরামর্শ দেন। পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে শিক্ষার্থীদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেন তিনি।
এ সময় তিনি কেন্দ্র সচিব ও সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্তদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা আয়োজন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, একটি নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ পরীক্ষার পরিবেশ শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বিশেষ করে পরীক্ষাকালীন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। বিদ্যুৎ বিভ্রাট হলে শিক্ষার্থীরা সমস্যায় পড়তে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
পরিদর্শনকালে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনসহ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও স্থানীয় নেতারা।
এছাড়া কেন্দ্রের বাইরে অভিভাবকদের জন্য নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগও তিনি পরিদর্শন করেন। স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে অভিভাবকদের বসার জন্য অস্থায়ী ছাউনি এবং তৃষ্ণার্তদের জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা হয়। এসব ব্যবস্থাপনা দেখে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।
তিনি অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ ও প্রত্যাশার বিষয়গুলো শোনেন। অভিভাবকরাও এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান।
বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের পরিদর্শন পরীক্ষার সার্বিক পরিবেশ সম্পর্কে ধারণা নিতে সহায়ক হয় এবং শিক্ষার্থীদের মনোবল বাড়াতেও ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করতেও এটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
সব মিলিয়ে, এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন জামায়াত আমির। সুষ্ঠু পরীক্ষা আয়োজন এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।
কসমিক ডেস্ক