পবিত্র আখেরি চাহার শোম্বা উপলক্ষে আগামী বুধবার (১২ আগস্ট) দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি থাকছে। তবে দিনটি বাংলাদেশ সরকারের ঘোষিত সাধারণ বা বাধ্যতামূলক সরকারি ছুটির তালিকায় নেই। ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাইরে অধিকাংশ কর্মস্থলে স্বাভাবিক কার্যক্রম চালু থাকবে।
আখেরি চাহার শোম্বা ইসলামী সংস্কৃতিতে তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন হলেও সরকারি ছুটির ক্ষেত্রে এর অবস্থান ভিন্ন। সরকারি ও বেসরকারি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ১২ আগস্ট বাধ্যতামূলক ছুটি নির্ধারিত হয়নি। তাই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে এটি সাধারণ কর্মদিবস হিসেবেই পালিত হবে।
একইভাবে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমও স্বাভাবিক নিয়মে পরিচালিত হওয়ার কথা। বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য বেসরকারি কর্মস্থলেও নিজস্ব নিয়ম অনুযায়ী অফিস চলবে। কোনো প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ নীতিমালায় আলাদা ব্যবস্থা থাকলে সেটি ভিন্ন বিষয়।
অন্যদিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ছুটির ব্যবস্থা রয়েছে। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক ছুটির তালিকায় আখেরি চাহার শোম্বা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। সে অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এদিন পাঠদান ও অন্যান্য কার্যক্রম বন্ধ থাকতে পারে।
এ ছাড়া কোনো কর্মজীবী ব্যক্তি ধর্মীয় বিশ্বাস বা ব্যক্তিগত প্রয়োজনের কারণে ঐচ্ছিক ছুটি নিতে চাইলে নিজ প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুসরণ করে আবেদন করতে পারেন। তবে এ ধরনের ছুটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের ওপর নির্ভর করবে।
অর্থাৎ, ১২ আগস্ট আখেরি চাহার শোম্বা উপলক্ষে সবার জন্য সরকারি ছুটি থাকছে না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটির বিষয়টি তাদের নিজস্ব বা নির্ধারিত বার্ষিক ছুটির তালিকার ওপর নির্ভর করবে। আর সরকারি-বেসরকারি অফিস, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য দিনটি সাধারণ কর্মদিবস হিসেবেই থাকবে।
তাই ছুটির বিষয়ে বিভ্রান্তি এড়াতে কর্মজীবীদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের ছুটির নীতিমালা বা কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা দেখে নেওয়া প্রয়োজন।
কসমিক ডেস্ক