সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের ভাইরাল ব্যক্তিগত ভিডিওকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিতর্কে এবার নতুন মাত্রা যোগ করেছে একটি বায়োডাটা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই নথিতে দেখা যায়, যাকে তিনি নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেছেন, তার বৈবাহিক অবস্থা ‘অবিবাহিত’ উল্লেখ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক নারীর সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের ব্যক্তিগত মুহূর্তের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। শুরুতে ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি বলে দাবি করা হলেও পরে বিভিন্ন পক্ষের বক্তব্যে তা নিয়ে ভিন্ন তথ্য সামনে আসে। পরবর্তীতে জেলা জামায়াতের নেতারা ওই নারীকে এমপির ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’ বলে দাবি করেন। পরে গাজী নজরুল ইসলামও নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে জানান, গত ১৭ জুন ২০২৬ পারিবারিকভাবে এবং প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতে মরিয়ম বেগমকে তিনি বিয়ে করেছেন।
ভিডিওতে থাকা নারী, মরিয়ম খাতুনও গণমাধ্যমকে বলেন, গাজী নজরুল ইসলাম তার স্বামী এবং তাদের বিয়ে হয়েছে। তিনি জানান, সেদিন তারা তার বাবার অফিসে গিয়েছিলেন এবং সেখানে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। মরিয়ম আরও জানান, তিনি এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন।
তবে নতুন বিতর্কের সূত্রপাত হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি বায়োডাটা থেকে। ওই বায়োডাটায় ২২ জুন তারিখে গাজী নজরুল ইসলামের স্বাক্ষর ও ‘জোর সুপারিশ করছি’ মন্তব্য দেখা যায়। একই নথিতে মরিয়ম খাতুনের বৈবাহিক অবস্থা ‘অবিবাহিত’ উল্লেখ রয়েছে।
এই তথ্য সামনে আসার পর সামাজিক মাধ্যমে প্রশ্ন উঠেছে—যদি ১৭ জুন বিয়ে হয়ে থাকে, তাহলে পাঁচ দিন পর প্রস্তুত বা স্বাক্ষরিত নথিতে কেন বৈবাহিক অবস্থা ‘অবিবাহিত’ লেখা হলো? এ নিয়ে নানা আলোচনা চললেও, প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত এই নির্দিষ্ট প্রশ্নের বিষয়ে গাজী নজরুল ইসলামের পক্ষ থেকে কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
কসমিক ডেস্ক