পেটের মেদ কমাতে গ্রিন টির পাশাপাশি যেসব খাবার খাওয়ার পরামর্শ পুষ্টিবিদের The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

পেটের মেদ কমাতে গ্রিন টির পাশাপাশি যেসব খাবার খাওয়ার পরামর্শ পুষ্টিবিদের

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jul 19, 2026 ইং
পেটের মেদ কমাতে গ্রিন টির পাশাপাশি যেসব খাবার খাওয়ার পরামর্শ পুষ্টিবিদের ছবির ক্যাপশন:

পেটের মেদ কমাতে অনেকেই গ্রিন টি পান করেন। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু গ্রিন টির ওপর নির্ভর করে ওজন বা পেটের চর্বি কমানো সম্ভব নয়। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, সুষম খাদ্য এবং নিয়মিত শরীরচর্চার পাশাপাশি কিছু প্রাকৃতিক উপাদান খাদ্যতালিকায় রাখলে ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা মিলতে পারে।

ভারতের পুষ্টিবিদ লাভনীত বাত্রার বরাত দিয়ে এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেটাবলিজম ও হজমশক্তি উন্নত রাখতে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হিসেবে সাতটি প্রাকৃতিক উপাদান নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে।

প্রথমেই রয়েছে জিরা। তার মতে, জিরা শরীরের বিপাকক্রিয়া বাড়াতে সহায়তা করতে পারে। এক চা-চামচ জিরা রাতে পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে সেই পানি পান করা বা জিরা ফুটিয়ে হালকা গরম অবস্থায় পান করা যেতে পারে।

মেথি দানা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। রাতে ভিজিয়ে রাখা মেথির পানি পান করার পাশাপাশি ভেজানো দানাগুলো চিবিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জোয়ান হজমে সহায়তা করে এবং পেট ফাঁপার সমস্যা কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে। খাবারের পর জোয়ান চিবিয়ে খাওয়া বা জোয়ান ফুটানো পানি পান করা উপকারী হতে পারে।

দারুচিনি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক বলে মনে করা হয়। আধা চা-চামচ দারুচিনি গরম পানি, চা বা পোরিজের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে।

হলুদ শরীরের প্রদাহ কমাতে সহায়ক হতে পারে। কুসুম গরম পানির সঙ্গে তাজা হলুদ, সামান্য গোলমরিচ ও অল্প ঘি মিশিয়ে খেলে হলুদের কার্যকর উপাদান শরীরে ভালোভাবে শোষিত হতে পারে বলে পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

মৌরি হজমশক্তি উন্নত করতে এবং হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারে। খাবারের পর এক চা-চামচ মৌরি চিবিয়ে খাওয়া বা মৌরির পানি পান করা যেতে পারে।

এছাড়া ত্রিফলা লিভারের কার্যক্রম এবং চর্বির বিপাকে সহায়ক হতে পারে। শুরুতে আধা চা-চামচ ত্রিফলা গুঁড়ো কুসুম গরম পানির সঙ্গে মিশিয়ে রাতে ঘুমানোর আগে খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

তবে বিশেষজ্ঞরা জোর দিয়ে বলছেন, এসব উপাদান কোনো ম্যাজিক সমাধান নয়। এগুলো স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার অংশ হিসেবে উপকারী হতে পারে, কিন্তু শুধুমাত্র এগুলো খেয়েই পেটের মেদ কমানো সম্ভব নয়। ওজন নিয়ন্ত্রণে সুষম খাদ্য, নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম এবং স্বাস্থ্যকর জীবনধারার বিকল্প নেই। পাশাপাশি যেকোনো ভেষজ বা খাদ্য উপাদান নিয়মিত গ্রহণের আগে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া উচিত।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ডেঙ্গু রোগীদের জন্য ১০ শতাংশ শয্যা সংরক্ষণের নির্দেশ, জানালে

ডেঙ্গু রোগীদের জন্য ১০ শতাংশ শয্যা সংরক্ষণের নির্দেশ, জানালে