ম্যাচের শুরুতেই ধাক্কা খায় বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। খেলার ১৫ মিনিটে মিসরের কাছে গোল হজম করে পিছিয়ে পড়ে আলবিসেলেস্তেরা। তবে পাঁচ মিনিটের মধ্যেই সমতায় ফেরার দারুণ সুযোগ পায় দলটি।
মিসরের ডি-বক্সে ডিফেন্ডার নিকোলাস তাগলিয়াফিকো ফাউলের শিকার হলে রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। গ্যালারিতে তখন মেসির নামে গর্জন উঠলেও ২১ মিনিটে নেওয়া তার বাঁ পায়ের শটটি ডানদিকে ঝাঁপিয়ে দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন মিসরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইর। শটটি লক্ষ্য বরাবর থাকলেও পর্যাপ্ত গতি না থাকায় গোল বঞ্চিত হন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক।
এই মিসের মধ্য দিয়েই ৩৯ বছর বয়সী লিওনেল মেসি বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক আসরে দুটি পেনাল্টি মিস করা প্রথম ফুটবলার হিসেবে অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড গড়েছেন। চলতি ২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেও স্পট-কিক থেকে গোল করতে পারেননি তিনি।
বিশ্বকাপে পেনাল্টি নেওয়ার ক্ষেত্রে মেসির পরিসংখ্যানও এখন বেশ মিশ্র। এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে মোট ৮টি পেনাল্টি নিয়েছেন তিনি। এর মধ্যে ৪টিতে গোল করেছেন, আর বাকি ৪টিতে ব্যর্থ হয়েছেন।
ব্যর্থ হওয়া চারটি পেনাল্টির মধ্যে তিনটি প্রতিপক্ষ গোলরক্ষক রুখে দিয়েছেন। অন্যটি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে গোলপোস্টের বাইরে চলে যায়। মিসরের বিপক্ষে সর্বশেষ ব্যর্থতার পর বিশ্বকাপে মেসির পেনাল্টি মিসের সংখ্যা দাঁড়াল চারটিতে, যা তাকে এই টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি পেনাল্টি মিস করা ফুটবলারদের একজন হিসেবে আলোচনায় এনে দিয়েছে।
কসমিক ডেস্ক