২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে ইসরায়েলে হামলার এক হাজার দিন পর গাজার সীমান্তবর্তী ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে নতুন করে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ বসবাস শুরু করেছেন। ইসরায়েলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলার আগে গাজার সীমান্তসংলগ্ন ওই অঞ্চলে প্রায় ৬২ হাজার মানুষের বসবাস ছিল। তবে হামলার পর নিরাপত্তাজনিত কারণে বিপুলসংখ্যক বাসিন্দা এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে যান। বর্তমানে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হওয়ায় পূর্বের বাসিন্দাদের প্রায় ৯০ শতাংশ নিজ নিজ এলাকায় ফিরে এসেছেন।
ইসরায়েল সরকার সীমান্তবর্তী এই অঞ্চলের জনসংখ্যা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছে। সরকারের লক্ষ্য, ২০৩০ সালের মধ্যে সেখানে মোট ১ লাখ ২৪ হাজার মানুষের বসবাস নিশ্চিত করা। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে পুনর্বাসন, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং নতুন বাসিন্দাদের আকৃষ্ট করতে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।
ইসরায়েলের তেকুমা অধিদপ্তর জানিয়েছে, ৭ অক্টোবরের হামলার পর গাজা সীমান্তবর্তী এলাকার পুনর্বাসন ও উন্নয়নের দায়িত্ব তাদের ওপর অর্পণ করা হয়। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সংস্থাটি ওই অঞ্চলে এক হাজারের বেশি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসব প্রকল্পের আওতায় সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা জোরদার, স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন, মানসিক আঘাত কাটিয়ে উঠতে সহায়তা, কৃষি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং শিল্পকারখানাকে ওই অঞ্চলে স্থানান্তরে উৎসাহ দিতে বিভিন্ন সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।
ইসরায়েল সরকারের আশা, এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে সীমান্তবর্তী এলাকায় জনবসতি আরও বৃদ্ধি পাবে এবং একই সঙ্গে অর্থনৈতিক কার্যক্রমও শক্তিশালী হবে। সরকার মনে করছে, পুনর্বাসন ও উন্নয়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।
কসমিক ডেস্ক