মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ভিত্তি গড়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, একাত্তরকে অস্বীকার করলে বা বাদ দিলে বাংলাদেশের অস্তিত্ব টিকে থাকা সম্ভব নয়।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বাম দলগুলোর সমন্বয়ে গঠিত গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠকে এসব কথা বলেন তারেক রহমান।
বৈঠকে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ শুধু অতীতের একটি ঘটনা নয়, এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক ভিত্তি। স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি যেন আর কখনো বাংলাদেশে রাজনৈতিকভাবে ক্ষমতাসীন হতে না পারে—সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
বাম দলগুলোর নেতারা বৈঠকে মত দেন যে, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও দেশে সহনশীলতা ও গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি বজায় রাখা জরুরি। তারা মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনা বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেন এবং সেই চেতনার আলোকে রাজনীতি পরিচালনার আহ্বান জানান।
সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে দেশ নতুন একটি সুযোগের মুখোমুখি হয়েছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, অভ্যুত্থানের পর সৃষ্ট পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে সরকার ও বিরোধী দল—সবাইকে একসঙ্গে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।
বৈঠকে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক ও সমবেদনা জানানো হয়। একই সঙ্গে সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা অবস্থা এবং আসন্ন নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে সব পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।