সন্ত্রাসবিরোধী আইনের এক মামলায় সাংবাদিক Anis Alamgir-এর জামিন মঞ্জুর করেছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আসলাম মিয়া। শুনানি শেষে আদালত জামিন মঞ্জুরের আদেশ দেন বলে আইনজীবী নিশ্চিত করেন। এর ফলে দীর্ঘদিন কারাগারে থাকা আনিস আলমগীরের মুক্তির পথ সুগম হলো।
এর আগে গত ২২ জানুয়ারি ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছিলেন। রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ১৪ ডিসেম্বর রাজধানীর ধানমণ্ডির একটি ব্যায়ামাগার থেকে আনিস আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য Dhaka Metropolitan Police-এর গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) কার্যালয়ে নেওয়া হয়। পরে তাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
পরদিন ১৫ ডিসেম্বর তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির করা হয়। ওইদিন তার পক্ষে জামিন আবেদন করা হলেও আদালত তা নামঞ্জুর করে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে ২০ ডিসেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
এরপর থেকে তিনি কারাবন্দি ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর হাইকোর্টে আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে হাইকোর্ট তার জামিন মঞ্জুর করেন।
মামলার তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। হাইকোর্টের এই আদেশের ফলে তিনি নির্ধারিত শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি পাবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
আইনজীবীরা বলেন, জামিন কোনো ব্যক্তিকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেয় না; বরং বিচার চলাকালীন সময়ের জন্য সাময়িক মুক্তি দেয়। মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই হবে।
এই আদেশকে কেন্দ্র করে আইনজীবী মহল ও গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। এখন নজর থাকবে মামলার পরবর্তী কার্যক্রমের দিকে এবং বিচার প্রক্রিয়া কীভাবে এগোয় তার ওপর।
কসমিক ডেস্ক