সিঙ্গাপুর থেকে ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে জাহাজ The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

সিঙ্গাপুর থেকে ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে জাহাজ

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Apr 3, 2026 ইং
সিঙ্গাপুর থেকে ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে জাহাজ ছবির ক্যাপশন:

দেশে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে ধারাবাহিকভাবে ডিজেল আমদানি অব্যাহত রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে সিঙ্গাপুর থেকে ২৭ হাজার টনের বেশি ডিজেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে এসে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে মালয়েশিয়া থেকে আরও একটি বড় চালান আসার কথা রয়েছে, যা দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ভোররাতে ‘ইয়ান জিং হে’ নামের জাহাজটি Chattogram Port-এর বহির্নোঙরে এসে পৌঁছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জাহাজটি বর্তমানে ডলফিন জেটিতে বার্থিংয়ের অপেক্ষায় রয়েছে এবং এটিকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জেটিতে ভিড়ানোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

বন্দর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে নিয়মিতভাবে তেলবাহী জাহাজ বন্দরে আসছে। এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে দ্রুত খালাস ও সরবরাহ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (হারবার ও মেরিন) কমোডর আহমেদ আমিন আব্দুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, জাহাজটি নির্ধারিত সময়েই বন্দরে পৌঁছেছে এবং দ্রুত খালাস কার্যক্রম শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে শিপিং এজেন্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘ইয়ান জিং হে’ জাহাজটি সিঙ্গাপুর থেকে ২৭ হাজার টনের কিছু বেশি ডিজেল বহন করে এনেছে। পাশাপাশি ‘শান গ্যাং ফা জিয়ান’ নামের আরেকটি জাহাজ মালয়েশিয়া থেকে প্রায় ৩৪ হাজার টন ডিজেল নিয়ে একই দিনে রাতে বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

এছাড়া আগামী দিনে এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) বহনকারী আরও একটি জাহাজ বন্দরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে। ফলে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, মার্চ মাসেও জ্বালানি বহনকারী একাধিক জাহাজ বন্দরে ভিড়েছিল। ওই মাসে মোট ৩৩টি জাহাজ বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি নিয়ে আসে। এর মধ্যে ১৫টি জাহাজ তেল, ৮টি এলএনজি এবং ৯টি এলপিজি বহন করে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বালানি আমদানির এই ধারাবাহিকতা দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শিল্প-কারখানা, পরিবহন এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে ডিজেল ও অন্যান্য জ্বালানির ওপর নির্ভরতা বেশি হওয়ায় নিয়মিত সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি।

এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি বাজারে চাহিদা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এই ধরনের বড় চালান পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সহায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

সব মিলিয়ে, চট্টগ্রাম বন্দরে ধারাবাহিকভাবে জ্বালানি তেলবাহী জাহাজ আগমন দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। এটি বাজারে সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে এবং সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় সহায়ক হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
গ্রাহকস্বার্থে চালু হলেও সফল হয়নি এমএনপি

গ্রাহকস্বার্থে চালু হলেও সফল হয়নি এমএনপি