সরকার জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (কমিটি ও অর্থনৈতিক) মো. হুমায়ুন কবিরের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ বছরের পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম চূড়ান্ত করা হয়। শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনীতদের হাতে পদক তুলে দেওয়া হবে।
বেগম খালেদা জিয়া স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশগঠনে সার্বিক অবদানের জন্য মরণোত্তর এই স্বীকৃতি পাচ্ছেন। এছাড়া চলতি বছরে স্বাধীনতা পুরস্কার পেতে যাচ্ছেন—
-
মুক্তিযুদ্ধ: মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর)
-
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম
-
সাহিত্য: ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর)
-
সংস্কৃতি: এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত), বশির আহমেদ (মরণোত্তর)
-
ক্রীড়া: জোবেরা রহমান (লিনু)
-
সমাজসেবা/জনসেবা: ডা. জাফরুল্লাহ্ চৌধুরী (মরণোত্তর), মো. সাইদুল হক, মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর)
-
জনপ্রশাসন: কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর)
-
গবেষণা ও প্রশিক্ষণ: মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক ড. এম এ রহিম, অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া
-
পরিবেশ সংরক্ষণ: আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু)
এছাড়া চারটি প্রতিষ্ঠানও স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছে—
-
মুক্তিযুদ্ধের অবদান: ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ
-
চিকিৎসাবিদ্যা: ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
-
পল্লী উন্নয়ন: পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)
-
সমাজসেবা/জনসেবা: এস ও এস চিলড্রেন্স ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ এবং গণস্বাস্থ্য
সরকার এই পদকের মাধ্যমে দেশের ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ, শিক্ষা, সাহিত্য, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি ও সমাজসেবায় গৌরবোজ্জ্বল অবদানকারীদের সম্মানিত করছে। স্বাধীনতা পুরস্কার দেশের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির মধ্যে একটি হিসেবে বিবেচিত।
কসমিক ডেস্ক