ভারত-বাংলাদেশ ভিসা কার্যক্রম শিগগিরই স্বাভাবিক হবে: প্রণয় ভার্মা The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

ভারত-বাংলাদেশ ভিসা কার্যক্রম শিগগিরই স্বাভাবিক হবে: প্রণয় ভার্মা

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Mar 2, 2026 ইং
ভারত-বাংলাদেশ ভিসা কার্যক্রম শিগগিরই স্বাভাবিক হবে: প্রণয় ভার্মা ছবির ক্যাপশন:

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ভিসা কার্যক্রম দ্রুত স্বাভাবিক হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা। সোমবার (২ মার্চ) তিনি বলেন, “ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। নতুন সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করে এই সম্পর্ককে আরও সম্প্রসারণ করা হবে। একই সঙ্গে ভিসা কার্যক্রমও দ্রুত স্বাভাবিক হবে।”

প্রণয় ভার্মা এই মন্তব্য করেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে। তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও মানুষ–মানুষের যোগাযোগ আরও দৃঢ় করতে ভারত সদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বৈঠকের পর বলেন, ভারতীয় হাইকমিশনার নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানাতে বাংলাদেশে এসেছেন। বৈঠকে সীমান্ত হাট এবং বেশ কয়েকটি স্থলবন্দর এখনও বন্ধ রয়েছে জানিয়ে, বাণিজ্য সম্প্রসারণের জন্য এগুলো শিগগিরই চালু করার পরিকল্পনা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, সীমান্তে অব্যবহৃত স্থলবন্দর ও হাট খোলার মাধ্যমে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের জন্য সুবিধা বৃদ্ধি পাবে এবং বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে পণ্যের সরবরাহ ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।

প্রণয় ভার্মা বলেন, “দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য, ভিসা, শিক্ষা ও মানুষের চলাচল দ্রুত স্বাভাবিক হতে শুরু করবে। আমাদের লক্ষ্য নতুন সরকারকে সঙ্গে নিয়ে সীমান্ত-সম্পর্ক ও ব্যবসায়িক চুক্তি বাস্তবায়ন করা। আমরা আশা করি, খুব শিগগিরই ভিসা কার্যক্রম এবং বাণিজ্যিক বিনিময় আরও সহজতর হবে।”

বৈঠকে ভারতীয় অর্থায়নের প্রকল্পগুলোর ভবিষ্যত নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তবে দুই পক্ষই আশা প্রকাশ করেছেন, পরবর্তী সময়ে এই ধরনের প্রকল্প নিয়ে আলাপচারিতা শুরু হবে এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে।

সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের মধ্যে ভিসা কার্যক্রম কিছুটা ব্যাহত থাকায় ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীরা অসুবিধার মুখোমুখি হয়েছেন। এই প্রেক্ষাপটে ভারতীয় হাইকমিশনারের আশ্বাস বাংলাদেশের ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী এবং পর্যটকদের মধ্যে স্বস্তি সৃষ্টি করেছে।

বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং ভিসা সুবিধা বৃদ্ধির পাশাপাশি, ভারত ও বাংলাদেশ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিনিময়কে আরও জোরদার করার দিকেও মনোযোগ দিচ্ছে। প্রণয় ভার্মা বলেন, “মানুষ–মানুষের যোগাযোগ উন্নয়নের মাধ্যমে আমাদের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে। সীমান্তবর্তী এলাকা এবং বাণিজ্যিক হাটের কার্যক্রম সক্রিয় করলে দুদেশের অর্থনীতি এবং জনগণের জীবনযাত্রা উন্নত হবে।”

সীমান্ত হাট এবং স্থলবন্দর খোলার পরিকল্পনা কার্যকর হলে, বাংলাদেশ থেকে ভারত ও ভারতের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে পণ্যের গতি দ্রুততর হবে। এতে ব্যবসায়ীদের জন্য সময় ও খরচ উভয়ই কমবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থী, পর্যটক এবং ব্যবসায়ীদের জন্য ভিসা সুবিধা সহজতর হবে।

প্রণয় ভার্মা উল্লেখ করেন, ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্কের পাশাপাশি মানবিক, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতাও গুরুত্বপূর্ন। নতুন সরকারকে সঙ্গে নিয়ে কার্যক্রম জোরদার করার মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে।

শেষ পর্যন্ত, ভারতীয় হাইকমিশনারের এই ঘোষণার মাধ্যমে ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও সাধারণ নাগরিকরা আশা করতে পারেন যে, ভিসা কার্যক্রম দ্রুত স্বাভাবিক হবে এবং সীমান্ত-হাট ও স্থলবন্দর কার্যকরভাবে চালু হয়ে বাণিজ্যিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মুক্ত হবে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরু করলে আঞ্চলিক সংঘাতে রূপ নেবে: খামেনি

যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরু করলে আঞ্চলিক সংঘাতে রূপ নেবে: খামেনি