মো. তারেক , আমজনতা দলের সদস্য সচিব, সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে জীবনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। তিনি বলেন, পেশায় ছিলেন আইটি ব্যবসায়ী, তবে মা-বাবার ইচ্ছায় সরকারি চাকরি করার চেষ্টা করেছিলেন। সরকারি চাকরির বিভিন্ন পরীক্ষায় তিনি বারবার ভাইবা বা ব্যর্থতার মুখোমুখি হন।
তিনি কোটা আন্দোলন ও সমাজের অনগ্রসরদের জন্য ন্যায়বিচারের লড়াইয়ের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগে নারী, পৌষ্য এবং অনগ্রসর এলাকার জন্য বরাদ্দ রাখা উচিত ছিল, কিন্তু তা বাতিল করা হয়। ২০১৮ সালের কোটা আন্দোলনের সময় তিনি নির্যাতনের শিকারও হয়েছেন।
চাকরির বাধা ও নির্যাতনের কারণে তিনি আম-মধুর ব্যবসায় আত্মনিয়োগ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, "আম-মধুর ব্যবসায় শুধু পরিবার চলে না, রাজনীতিতেও ব্যায় হয়। জীবনে কোনো কিছুর জন্য কোনো আক্ষেপ নেই। আল্লাহ আমাকে যেখানে উপযুক্ত মনে করেছেন, সেখানে নেতৃত্ব দিয়েছি। সংসদের উপযুক্ত নই—তাই সেখানে যাওয়া হয়নি। আমি আমার জীবনটাই উপভোগ করি।"
তার বক্তব্যে বোঝা যায়, তিনি অতীত ব্যর্থতা, রাজনৈতিক আন্দোলন ও ব্যবসায়িক প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও জীবনের প্রতি সন্তুষ্ট এবং স্বতঃসিদ্ধ জীবনযাপন করছেন।
কসমিক ডেস্ক