শুধু কেন্দ্রীয় ইশতেহার নয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াত নেতারা আঞ্চলিক সমস্যার সমাধানেও মনোযোগ দিচ্ছেন। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে রাজধানী পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচারে তারা জনসংযোগ করছেন।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের বিভিন্ন জেলার জন্য সুনির্দিষ্ট উন্নয়ন পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। তার প্রতিশ্রুতির মধ্যে রয়েছে:
কৃষি ও কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তারুগণ ও কৃষি শিল্প বিকাশ
স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়ন, সড়ক ও যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন
উত্তরাঞ্চলে বিমানবন্দর চালু, আইটি পার্ক এবং পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ
চট্টগ্রাম বন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ
রাজধানী ঢাকায় যানজট নিরসন, নতুন খেলার মাঠ ও নারীদের জন্য ডে কেয়ার সেন্টার
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানও আঞ্চলিক সমস্যা সমাধানের অঙ্গীকার করেছেন। তার প্রতিশ্রুতির মধ্যে রয়েছে:
সিলেটের খনিজসম্পদ ও প্রবাসী সেবার উন্নয়নতিস্তা নদীর হাইড্রো পাওয়ার ও সেচ সুবিধা
দিনাজপুর ও ফরিদপুরকে প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী করা
উপকূলীয় অঞ্চলে স্মার্ট ইকোনমিক জোন এবং পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়
স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে উন্নয়ন, সব জেলায় মেডিকেল কলেজ স্থাপন
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আঞ্চলিক প্রতিশ্রুতি ইতিবাচক হলেও ভোটের পর বাস্তবায়ন কতটা হবে, সেটি মূল চ্যালেঞ্জ। অধ্যাপকরা বলছেন, সাধারণত নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতির মাত্র ১০ শতাংশ বাস্তবায়ন হয়। তাই বিএনপি বা জামায়াত যেই ক্ষমতায় আসুক, আঞ্চলিক উন্নয়ন বাস্তবায়ন একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে থাকবে।
কসমিক ডেস্ক