দেশের বেসরকারি খাতের বর্তমান পরিস্থিতি, শিল্প খাতের চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে শীর্ষ ব্যবসায়ী ও শিল্প উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (১ আগস্ট) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী দেশের শিল্প ও ব্যবসা খাতের বিদ্যমান সমস্যাগুলো সম্পর্কে উদ্যোক্তাদের মতামত শোনেন। বিশেষ করে জ্বালানি সংকট, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং শিল্পকারখানার কার্যক্রমে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূর করতে সরকার ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রী বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্পকারখানাগুলো পুনরায় চালুর মাধ্যমে কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। এ ক্ষেত্রে ব্যবসায়ী নেতাদের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, শিল্পায়ন ও বিনিয়োগ বাড়াতে সরকার প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা দিতে আগ্রহী।
বৈঠকে অংশ নেওয়া ব্যবসায়ীরা শিল্প খাতের উন্নয়নে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব তুলে ধরেন। তারা বলেন, উৎপাদন ও বিনিয়োগ বাড়াতে আর্থিক প্রণোদনা, নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ, ব্যবসাবান্ধব আইনগত কাঠামো এবং হয়রানিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধি, নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে তারা মত দেন।
আলোচনায় দেশের শিল্পায়নকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি বেসরকারি খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে টেকসই করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়। সরকার ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে নিয়মিত সংলাপ অব্যাহত থাকলে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলা এবং অর্থনীতির বিভিন্ন খাতের বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সহজ হবে বলে বৈঠকে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
বৈঠকে দেশের বিভিন্ন শীর্ষ শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন এবং শিল্প, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে সরকার-বেসরকারি খাতের অংশীদারিত্ব আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
কসমিক ডেস্ক