এলপিজির দাম নিয়ে সুখবর দিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

এলপিজির দাম নিয়ে সুখবর দিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Feb 26, 2026 ইং
এলপিজির দাম নিয়ে সুখবর দিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী ছবির ক্যাপশন:

এলপিজির দাম আপাতত বাড়ছে না বলে জানিয়েছেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে এলপিজির আমদানিকারক ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

বৈঠকে দেশের এলপিজির বর্তমান বাজার পরিস্থিতি, সরবরাহ ব্যবস্থা এবং মূল্য স্থিতিশীলতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। মন্ত্রী বলেন, “এলপিজির সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। তবে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় কিছু খুচরা বিক্রেতা (রিটেলার) সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করছেন।”

তিনি আরও জানান, ভোক্তা পর্যায়ে যাতে কোনো ভোগান্তি না হয়, সে লক্ষ্যে অর্থপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। আমদানিকারক ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা যেসব সমস্যার কথা তুলে ধরেছেন, সেগুলো সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। সমস্যাগুলোর দ্রুত সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, “বাজার মনিটরিং বাড়ানো হবে। পাশাপাশি এলপিজির দাম আগের জায়গায় ফিরে আসবে।” তিনি স্পষ্ট করে জানান, এই মুহূর্তে এলপিজির দাম বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত নেই।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, আমদানিকারকরা তাদের ব্যবসা সচল রাখতে কিছু প্রতিবন্ধকতার কথা জানিয়েছেন। বিশেষ করে ৫ আগস্টের পর থেকে অনেক আমদানিকারক নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন, যার ফলে বাজারে কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছে। এসব বিষয় চিহ্নিত করে সমাধানের চেষ্টা চলছে।

তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)-এর স্টোরেজ সক্ষমতা তুলনামূলক কম। তবে বেসরকারি খাতে যেসব প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব সংরক্ষণ সুবিধা রয়েছে, তারা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। এতে করে সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা পাওয়া যাচ্ছে।

মন্ত্রী জানান, এলপিজির বাজারে কোনো কৃত্রিম সংকট তৈরি হলে তা কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে। প্রয়োজনে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করবে।

বর্তমানে দেশে রান্নার জ্বালানি হিসেবে এলপিজির ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বিশেষ করে শহরাঞ্চল ও গ্রামীণ অনেক এলাকায় পাইপলাইনের গ্যাস না থাকায় এলপিজির ওপর নির্ভরতা বাড়ছে। ফলে সামান্য মূল্য পরিবর্তনও সরাসরি প্রভাব ফেলে সাধারণ ভোক্তাদের ওপর।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানির দামের ওঠানামা, ডলার সংকট এবং আমদানি ব্যয় বৃদ্ধির মতো বিষয়গুলো এলপিজির বাজারকে প্রভাবিত করতে পারে। তবে সরকারের সক্রিয় নজরদারি ও সমন্বিত পদক্ষেপ থাকলে মূল্য স্থিতিশীল রাখা সম্ভব।

বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাসে আপাতত স্বস্তি ফিরেছে ভোক্তাদের মধ্যে। এখন বাজার মনিটরিং কতটা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন হয় এবং আমদানিকারকদের সমস্যার সমাধান কত দ্রুত হয়—সেদিকেই নজর সবার।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
মধ্যপ্রাচ্যে ষষ্ঠ দিনেও হামলা, ইরান আরও ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে

মধ্যপ্রাচ্যে ষষ্ঠ দিনেও হামলা, ইরান আরও ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে