দেশে নিট রিজার্ভ বেড়ে ৩১.২৩ বিলিয়ন ডলার, মোট রিজার্ভ ৩৫.৮০ বিলিয়ন The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

দেশে নিট রিজার্ভ বেড়ে ৩১.২৩ বিলিয়ন ডলার, মোট রিজার্ভ ৩৫.৮০ বিলিয়ন

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jun 18, 2026 ইং
দেশে নিট রিজার্ভ বেড়ে ৩১.২৩ বিলিয়ন ডলার, মোট রিজার্ভ ৩৫.৮০ বিলিয়ন ছবির ক্যাপশন:

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব অনুযায়ী বর্তমানে বাংলাদেশের নিট রিজার্ভ বেড়ে ৩১.২৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ১২৩ কোটি ৯৮ লাখ ৪০ হাজার ডলার।

একই সময়ে বৈদেশিক মুদ্রায় গঠিত বিভিন্ন তহবিলসহ দেশের মোট রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৫.৮০ বিলিয়ন ডলার বা ৩ হাজার ৫৮০ কোটি ২৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার। বুধবার (১৭ জুন) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্রের দপ্তর এ তথ্য নিশ্চিত করে।

এর আগে গত মে মাসে দেশের নিট রিজার্ভ প্রথমবারের মতো ৩১ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছিল। তবে পরবর্তীতে দুই মাসের আমদানি ব্যয়ের বিল পরিশোধের কারণে তা সাময়িকভাবে ৩০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে যায়। সাম্প্রতিক সময়ে আবারও রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং রপ্তানি আয়ের ইতিবাচক ধারা রিজার্ভ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

অর্থনীতিবিদদের মতে, রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি, রপ্তানি আয় স্থিতিশীল থাকা এবং বৈদেশিক লেনদেনে ভারসাম্য ফেরার কারণে রিজার্ভ আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। বিশেষ করে প্রবাসী আয়ের ধারাবাহিক প্রবাহ দেশের বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে সহায়তা করছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী আইএমএফ যে হিসাব পদ্ধতি অনুসরণ করে, সেটিকেই নিট রিজার্ভ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এতে কিছু দায় ও স্বল্পমেয়াদি তহবিল বাদ দিয়ে প্রকৃত ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ নির্ধারণ করা হয়।

অন্যদিকে, মোট রিজার্ভের মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হাতে থাকা সব বৈদেশিক মুদ্রা ও বিভিন্ন তহবিল অন্তর্ভুক্ত থাকে। ফলে মোট রিজার্ভ সবসময় নিট রিজার্ভের তুলনায় বেশি হয়ে থাকে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রিজার্ভের এই বৃদ্ধি দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক সংকেত। এটি আমদানি ব্যয় মেটানো, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার সময় স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তবে তারা সতর্ক করে বলেছেন, রিজার্ভ স্থিতিশীল রাখতে হলে রপ্তানি ও রেমিট্যান্স প্রবাহ ধারাবাহিকভাবে বাড়াতে হবে। পাশাপাশি আমদানি ব্যয়ের ওপর নিয়ন্ত্রণ এবং বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধিও গুরুত্বপূর্ণ।

আকু (এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন) ব্যবস্থার আওতায় প্রতি দুই মাস অন্তর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে আমদানি সংক্রান্ত লেনদেন নিষ্পত্তি করা হয়। এ ধরনের পেমেন্টের কারণেও মাঝে মাঝে রিজার্ভে ওঠানামা দেখা যায়।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, রিজার্ভ আবারও ৩১ বিলিয়ন ডলারের ওপর অবস্থান নেওয়াকে অর্থনীতির জন্য একটি স্বস্তিদায়ক সংকেত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
অরিজিতের সিদ্ধান্ত নিয়ে কী বললেন বোন?

অরিজিতের সিদ্ধান্ত নিয়ে কী বললেন বোন?