প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর উপদেষ্টা হিসেবে টেলিভিশন আলোচক জাহেদ উর রহমান-কে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ১০ জনকে উপদেষ্টার দায়িত্ব বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এই প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জাহেদ উর রহমানকে দেশের নীতি ও স্ট্র্যাটেজি সংক্রান্ত দায়িত্ব প্রদান করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নিয়োগপ্রাপ্ত উপদেষ্টারা মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সমপর্যায়ে কাজ করবেন। জাহেদ উর রহমানের দায়িত্ব পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি সংক্রান্ত বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে পরামর্শ প্রদান করা। তার অভিজ্ঞতা এবং মিডিয়ায় সক্রিয়তা সরকারের নীতি প্রণয়নে নতুন দৃষ্টিকোণ আনতে সহায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
টেলিভিশন আলোচক হিসেবে জাহেদ উর রহমান বহু বছর ধরে বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ে বিশ্লেষণ করছেন। এই পেশাগত অভিজ্ঞতা তাকে সরকারের নীতিনির্ধারণ ও কৌশলগত পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করার যোগ্যতা দিয়েছে। প্রজ্ঞাপনের পর থেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে তার নাম আলোচনায় রয়েছে।
জাহেদ উর রহমানের দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে সরকারের নীতি প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় আরও দক্ষতা ও কার্যকারিতা যোগ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে পলিসি এবং স্ট্র্যাটেজি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে তার পরামর্শ সরকারের বিভিন্ন বিভাগের কার্যক্রমে সমন্বয় সাধনে সহায়ক হবে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সূত্র জানায়, উপদেষ্টাদের দায়িত্ব প্রদান করার মূল উদ্দেশ্য হলো সরকারের নীতি ও কৌশল বাস্তবায়নে দক্ষ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের সংযুক্ত করা। জাহেদ উর রহমানকে এ দায়িত্ব দেওয়ার পেছনে তার দীর্ঘ সময়ের মিডিয়া অভিজ্ঞতা এবং বিশ্লেষণাত্মক ক্ষমতাকে মূল্যায়ন করা হয়েছে।
জাহেদ উর রহমানের নিয়োগের পর, তিনি সরকারি নীতি ও কৌশল প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করবেন। এছাড়া বিভিন্ন প্রোগ্রাম, সভা এবং নীতি নির্ধারণ সংক্রান্ত আলোচনা সভায় তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্ত থাকবেন। সরকারের বিভিন্ন ক্ষেত্রে তার উপদেষ্টা হিসেবে পরামর্শ কার্যক্রম দেশের নীতি ও কৌশলগত পরিকল্পনায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এদিকে, তার দায়িত্ব পাওয়া বিষয়টি মিডিয়া ও সামাজিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সরকারের নীতিনির্ধারণ ও স্ট্র্যাটেজি উন্নয়নে টেলিভিশন বিশ্লেষকের অন্তর্ভুক্তি একটি নতুন ধারা তৈরি করতে পারে।
সংক্ষেপে, জাহেদ উর রহমানকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ ও তাকে পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি বিষয়ক দায়িত্ব প্রদান সরকারী নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় নতুন দৃষ্টিকোণ যোগ করবে এবং দেশের প্রশাসনিক ও কৌশলগত পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
কসমিক ডেস্ক