রাজধানী ও এর আশপাশের এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকট বিরাজ করছে। এলএনজি টার্মিনালের রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকায় সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা পর্যন্ত গ্যাসের স্বল্পচাপ থাকবে বলে জানিয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি জানায়, একটি এলএনজি টার্মিনাল সাময়িকভাবে বন্ধ থাকায় এলএনজি থেকে গ্যাস সরবরাহ উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। ফলে তিতাস গ্যাসের আওতাভুক্ত সব শ্রেণির গ্রাহক প্রান্তে গ্যাসের স্বল্পচাপ অনুভূত হবে। সংস্থাটি গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে।
জানা গেছে, রাজধানীর সিএনজি স্টেশনগুলোতে অটোরিকশা ও ব্যক্তিগত গাড়ির দীর্ঘ সারি সৃষ্টি হয়েছে। চালকদের দুই থেকে তিন ঘণ্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে। গ্যাসের চাপ কম থাকার কারণে চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস নিতে পারছেন না তারা।
এছাড়া অনেক এলাকার বাসাবাড়িতেও গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। সাধারণত স্বাভাবিক সরবরাহ থাকা এলাকায়ও চাপ কম হওয়ায় গ্রাহকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। শিল্পকারখানার উৎপাদনও গ্যাস স্বল্পচাপে ব্যাহত হচ্ছে।
দেশে দৈনিক ৪ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ হচ্ছে ২ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে দুই টার্মিনালে এলএনজি থেকে আসে ১ হাজার ৫০ মিলিয়ন ঘনফুট। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে এক্সিলারেট এনার্জির এলএনজি টার্মিনাল রক্ষণাবেক্ষণে যাওয়ায় এলএনজি সরবরাহ নেমেছে ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুটে।
তিতাস গ্যাসের মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন) কাজী সাইদুল হাসান বলেন, দেশীয় গ্যাসের সরবরাহ কিছুটা কম। এলএনজি আমদানিতেও সীমাবদ্ধতা রয়েছে।
কসমিক ডেস্ক