অবৈধ তেল মজুদ ও বেশি দামে বিক্রি, বগুড়ায় জরিমানা The Daily Cosmic Post
ঢাকা | বঙ্গাব্দ
ঢাকা |

অবৈধ তেল মজুদ ও বেশি দামে বিক্রি, বগুড়ায় জরিমানা

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Apr 28, 2026 ইং
অবৈধ তেল মজুদ ও বেশি দামে বিক্রি, বগুড়ায় জরিমানা ছবির ক্যাপশন:

বগুড়ায় অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ ও বেশি দামে বিক্রির অভিযোগে একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) শহরের কাটনারপাড়া এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর

অভিযানে “মা এন্টারপ্রাইজ” নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তারা দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে পেট্রল ও অকটেন মজুদ করে আসছিল এবং সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করছিল।

অভিযান পরিচালনা করেন ভোক্তা অধিদপ্তরের বগুড়া জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. মেহেদী হাসান। তার নেতৃত্বে শহরের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের করোনেশন স্কুলের পাশে অবস্থিত ওই অটোমোবাইল দোকানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই ঝটিকা অভিযান চালানো হয়।

অভিযানকালে কর্মকর্তারা দেখতে পান, দোকানটিতে প্রায় ২০০ লিটার জ্বালানি তেল মজুদ ছিল। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটি প্রতি লিটার পেট্রল ও অকটেন ২০০ টাকা দরে বিক্রি করছিল, যা সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি। এই অনিয়ম হাতেনাতে ধরা পড়ে।

আরও তদন্তে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির দাহ্য পদার্থ বিক্রির জন্য প্রয়োজনীয় বিস্ফোরক পরিদপ্তরের লাইসেন্স ছিল না এবং ফায়ার সার্ভিসের কোনো অনুমোদনও তারা নেয়নি। অর্থাৎ জ্বালানি তেল মজুদ ও বিক্রির জন্য যে আইনি অনুমোদন প্রয়োজন, তার কোনোটিই তাদের ছিল না।

ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মেহেদী হাসান জানান, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী বিপ্লবকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তিনি বলেন, “জনস্বার্থে এমন অবৈধ ব্যবসার বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এটি অব্যাহত থাকবে।”

অভিযানের সময় জব্দ করা প্রায় ১৮০ লিটার জ্বালানি তেল তাৎক্ষণিকভাবে সাধারণ ভোক্তাদের কাছে সরকার নির্ধারিত ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করা হয়। এতে স্থানীয় জনগণ স্বস্তি প্রকাশ করেন।

অভিযানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বাংলাদেশ পুলিশ-এর একটি দল সহযোগিতা করে। তাদের সহায়তায় অভিযানটি নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ ও চড়া দামে বিক্রি বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে পারে, যা সাধারণ মানুষের জন্য বড় ধরনের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই এ ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে নিয়মিত মনিটরিং ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।

এই ঘটনায় স্থানীয়ভাবে সচেতনতা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে। তারা আশা করছেন, এ ধরনের অভিযান নিয়মিত হলে বাজারে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে এবং ভোক্তারা ন্যায্য দামে পণ্য পাবে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কসমিক ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
বিএনপির প্রতিশ্রুতি নিয়ে ইসির নীরবতায় প্রশ্ন এনসিপির

বিএনপির প্রতিশ্রুতি নিয়ে ইসির নীরবতায় প্রশ্ন এনসিপির