
বিশ্বকাপ ২০২৬-এর প্রথম ম্যাচেই প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফর্ম করতে ব্যর্থ হয়েছেন পর্তুগালের অধিনায়ক ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র হওয়া ম্যাচে পুরো ৯০ মিনিট খেলেও তিনি গোলের দেখা পাননি। ফলে দল যেমন জয় থেকে বঞ্চিত হয়েছে, তেমনি ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স নিয়েও শুরু হয়েছে নতুন করে আলোচনা।
ম্যাচজুড়ে বল দখলে আধিপত্য থাকলেও রোনালদো নিজেকে কার্যকরভাবে মেলে ধরতে পারেননি। আক্রমণভাগে একাধিক সুযোগ এলেও সেগুলো কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন তিনি। এতে সমালোচনার মুখে পড়েছে পর্তুগিজ অধিনায়কের পারফরম্যান্স।
এই ব্যর্থতার পর আবারও সামনে এসেছে তার দীর্ঘদিনের বড় টুর্নামেন্টে গোলখরা। পরিসংখ্যান বলছে, ২০২২ বিশ্বকাপে ঘানার বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে গোল করার পর থেকে বিশ্বকাপ ও ইউরো মিলিয়ে টানা ১০টি ম্যাচে কোনো গোল করতে পারেননি তিনি।
২০২৪ ইউরোতেও একাধিক ম্যাচ খেলেও গোলের দেখা পাননি রোনালদো। একই ধারাবাহিকতা বজায় থাকল চলমান বিশ্বকাপেও। ফলে আন্তর্জাতিক বড় আসরে তার কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে রোনালদোর ভূমিকা পরিবর্তিত হলেও গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তার কাছ থেকে এখনো গোল প্রত্যাশা করে ভক্তরা। কিন্তু সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে ভিন্ন কথা।
ফুটবল বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, পর্তুগালের কৌশলগত পরিবর্তন ও আক্রমণভাগের নতুন কাঠামো রোনালদোর স্বাভাবিক খেলায় প্রভাব ফেলছে। ফলে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায় কি না, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।
তবে সমালোচনা থাকলেও রোনালদোর অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্ব এখনও পর্তুগাল দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন অনেক বিশ্লেষক।