
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর গ্রুপ পর্বের সূচনা হচ্ছে এক আকর্ষণীয় ম্যাচ দিয়ে, যেখানে মুখোমুখি হচ্ছে ইউরোপের শক্তিশালী দল পর্তুগাল জাতীয় ফুটবল দল এবং আফ্রিকার উদীয়মান শক্তি ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো জাতীয় ফুটবল দল। যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনের এনআরজি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচটি আন্তর্জাতিক ফুটবলে দুই দলের প্রথম মুখোমুখি হওয়া হিসেবে ইতিহাস গড়ছে।
পর্তুগাল এবারের বিশ্বকাপে এসেছে অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের মিশেলে শক্তিশালী স্কোয়াড নিয়ে। দলটির নেতৃত্বে আছেন কিংবদন্তি ফরোয়ার্ড ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, যিনি ক্যারিয়ারের শেষ পর্যায়ে দাঁড়িয়ে বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নামছেন। দলটি সাম্প্রতিক সময়ে দুর্দান্ত ফর্মে থাকলেও বড় টুর্নামেন্টে ধারাবাহিকতার অভাব তাদের জন্য এখনো বড় প্রশ্ন।
অন্যদিকে কঙ্গো ডিআর দীর্ঘ ৫২ বছর পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিয়েছে। প্লে-অফে জ্যামাইকার বিপক্ষে নাটকীয় জয়ের পর তারা এবারের আসরে আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছে। আফ্রিকান এই দলটি সাম্প্রতিক সময়ে শক্তিশালী প্রতিপক্ষদের বিপক্ষে প্রতিরোধ গড়ে তোলার সক্ষমতা দেখিয়েছে, যা তাদের জন্য বড় শক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
গ্রুপ ‘কে’-তে পর্তুগাল ও কঙ্গো ডিআর ছাড়াও রয়েছে কলম্বিয়া ও উজবেকিস্তান। গ্রুপের কাঠামো অনুযায়ী শীর্ষ দুই দল সরাসরি পরের রাউন্ডে যাবে, পাশাপাশি তৃতীয় স্থান অধিকারী সেরা কয়েকটি দলও নকআউট পর্বে জায়গা পেতে পারে।
পর্তুগাল কোচিং স্টাফের অধীনে আক্রমণভাগ বেশ শক্তিশালী হলেও কঙ্গো ডিআরের রক্ষণভাগ কতটা চাপ সামলাতে পারে, সেটাই আজকের ম্যাচের প্রধান আলোচ্য বিষয়। বিশেষ করে রোনালদোর অভিজ্ঞতা ও গোল করার ক্ষমতা কঙ্গোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।
বিশ্ব ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, কাগজে-কলমে পর্তুগাল এগিয়ে থাকলেও বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে অঘটনের সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তাই হিউস্টনের এই ম্যাচ ঘিরে ফুটবল ভক্তদের মধ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে।