
দীর্ঘ ২৮ বছর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরে এসে বড় চমক দেখিয়েছে স্কটল্যান্ড। গ্রুপ সি-এর ম্যাচে হাইতিকে ১-০ গোলে হারিয়ে তারা শুধু জয়ই পায়নি, বরং গ্রুপের শীর্ষস্থানেও উঠে এসেছে।
ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয় যুক্তরাষ্ট্রের ফক্সবোরো বোস্টন স্টেডিয়ামে। শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে ম্যাচকে জমিয়ে তোলে। তবে ২৮তম মিনিটে ভাগ্য কিছুটা স্কটল্যান্ডের পাশে ছিল। চে অ্যাডামসের শট থেকে তৈরি হওয়া আক্রমণে বল প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে ফিরে আসে, আর সেই সুযোগ কাজে লাগান মিডফিল্ডার জন ম্যাকগিন। তার নেওয়া শট দিক পরিবর্তন করে জালে জড়ালে এগিয়ে যায় স্কটল্যান্ড।
গোলের পর হাইতি ম্যাচে ফেরার জন্য একাধিক আক্রমণ চালালেও স্কটল্যান্ডের রক্ষণভাগ ছিল অত্যন্ত সংগঠিত ও দৃঢ়। দ্বিতীয়ার্ধে তারা কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করলেও সমতায় ফিরতে পারেনি। বিশেষ করে ৭৪তম মিনিটে উইলসন ইসিডরের শট এবং ৮৪তম মিনিটে ফ্রান্টজডি পিয়েরোর হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
স্কটল্যান্ডের জন্য এই জয় শুধু তিন পয়েন্ট নয়, বরং দীর্ঘ ১৯৯৮ সালের পর বিশ্বকাপে ফিরে পাওয়া আত্মবিশ্বাসের প্রতীক। দলটি অতীতে দীর্ঘ সময় বিশ্বকাপে জয়বিহীন থাকলেও এবার শুরুতেই গুরুত্বপূর্ণ জয় তুলে নিতে সক্ষম হয়েছে।
অন্যদিকে গ্রুপ সি-এর আরেক ম্যাচে ব্রাজিল ও মরক্কো ১-১ গোলে ড্র করায় পয়েন্ট টেবিলে বড় পরিবর্তন আসে। সেই ফলের কারণে অপ্রত্যাশিতভাবে স্কটল্যান্ড উঠে যায় গ্রুপের শীর্ষে। ফলে গ্রুপের সমীকরণ এখন আরও জটিল ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
আগামী ম্যাচগুলোতে স্কটল্যান্ড মুখোমুখি হবে মরক্কোর এবং হাইতি খেলবে ব্রাজিলের বিপক্ষে। এই দুই ম্যাচই গ্রুপ সি-এর চূড়ান্ত চিত্র নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সব মিলিয়ে বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের প্রত্যাবর্তন ইতিমধ্যেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পৌঁছে গেছে।