
পবিত্র Hajj-২০২৭ উপলক্ষে পূর্ণাঙ্গ রোডম্যাপ প্রকাশ করেছে Saudi Ministry of Hajj and Umrah। এতে হজযাত্রীদের নিবন্ধন, ভিসা, ফ্লাইটসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশের Ministry of Religious Affairs Bangladesh-এর জনসংযোগ কর্মকর্তা Abu Bakar Siddique গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ২৯ মে Jeddah-এ এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই রোডম্যাপ ঘোষণা করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রীদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হজের সময়সূচি হস্তান্তর করা হয়। এতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন ধর্মমন্ত্রী Kazi Shah Mofazzal Hossain (কায়কোবাদ)। সৌদি আরবের পক্ষ থেকে সহকারী মন্ত্রী Dr. Al Hassan bin Yahya Al Manakhrah তার হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে রোডম্যাপ তুলে দেন।
প্রকাশিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের হজযাত্রীদের নিবন্ধন কার্যক্রম চলতি বছরের ২৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। এছাড়া আগামী ৮ নভেম্বর Bangladesh ও Saudi Arabia-এর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক হজ চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে।
রোডম্যাপে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৭ সালের ২৮ জানুয়ারি থেকে হজ ভিসা ইস্যু শুরু হবে। এরপর ৮ এপ্রিল থেকে হজ ফ্লাইট পরিচালনা শুরু হবে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ১৫ মে (৯ জিলহজ) পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
এদিকে হজ সংক্রান্ত ব্যয় পরিশোধের ক্ষেত্রে প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা চালু রাখা হয়েছে। ‘Nusuk Masar’ প্ল্যাটফর্মের ই-ওয়ালেটে সরাসরি অর্থ স্থানান্তরের কার্যক্রম চলবে চলতি বছরের ১৫ জুলাই থেকে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে হজের সার্বিক ব্যবস্থাপনা আরও সহজ ও স্বচ্ছ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে নুসুক মাসার ব্যবস্থার আওতায় তাঁবু, সার্ভিস প্যাকেজ, মক্কা ও মদিনার হোটেল, ক্যাটারিং এবং পরিবহন সেবাসহ বিভিন্ন সেবা গ্রহণের জন্য চুক্তি স্বাক্ষরের সময়সীমাও নির্ধারণ করা হয়েছে। এই চুক্তি কার্যক্রম শুরু হবে ২০২৬ সালের ২৯ জুলাই এবং চলবে ২০২৭ সালের ২৩ জানুয়ারি পর্যন্ত।
হজযাত্রীদের তথ্য নুসুক মাসার সিস্টেমে আপলোড করার জন্য নির্ধারিত সময় দেওয়া হয়েছে ২০২৬ সালের ১৪ আগস্ট থেকে ২০২৭ সালের ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। পাশাপাশি হজযাত্রী পরিবহনকারী এয়ারলাইন্সগুলোর সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর এবং প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টেশন সম্পন্ন করতে হবে চলতি বছরের ২৯ জুলাই থেকে ৮ নভেম্বরের মধ্যে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে এসব কার্যক্রম সম্পন্ন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ নির্ধারিত সময় অনুযায়ী কাজ শেষ না হলে হজযাত্রীদের জন্য নানা জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।
সবশেষে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, যেন ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী যথাসময়ে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়। এতে করে হজযাত্রা আরও সুশৃঙ্খল ও নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।