
কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী ইউনিয়নের নাগদাহ গ্রামের বাসিন্দা ফারুক হোসেন (জাহাঙ্গীর) দীর্ঘদিন ধরে জটিল কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন। ২০২২ সাল থেকে তার চিকিৎসা চললেও সাম্প্রতিক চিকিৎসা প্রতিবেদনে তার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটেছে বলে জানা গেছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, ফারুক ও তার স্ত্রী গাজীপুরে একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। সীমিত আয়ের মধ্যেই চিকিৎসার ব্যয় বহন করার চেষ্টা করলেও বর্তমানে সেই সামর্থ্য প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। পরিবারের একমাত্র সম্বল গ্রামে থাকা বসতভিটা ছাড়া উল্লেখযোগ্য কোনো সম্পদ নেই।
সর্বশেষ চিকিৎসা প্রতিবেদনে তার eGFR মাত্র ৩.০০ এবং Serum Creatinine ১৮.৩৩ পাওয়া গেছে, যা চিকিৎসকদের মতে অত্যন্ত সংকটজনক অবস্থা নির্দেশ করে। এ পরিস্থিতিতে চিকিৎসকরা জরুরি ভিত্তিতে ডায়ালাইসিস শুরু করার পাশাপাশি কিডনি প্রতিস্থাপনের পরামর্শ দিয়েছেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ফারুকের স্ত্রী স্বেচ্ছায় একটি কিডনি দান করতে সম্মতি দিয়েছেন। তবে কিডনি প্রতিস্থাপন ও পরবর্তী চিকিৎসা ব্যয় মিলিয়ে আনুমানিক ২৫ লাখ টাকার প্রয়োজন হবে, যা তাদের পক্ষে বহন করা সম্ভব নয়।
এ অবস্থায় ফারুক হোসেনের পরিবার সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, প্রবাসী, সামাজিক সংগঠন ও মানবিক মানুষের কাছে আর্থিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছে। তাদের প্রত্যাশা, সবার সহযোগিতা ও দোয়ায় ফারুক আবারও স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবেন।
ফারুক হোসেনের পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের কাছে দোয়া ও আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।