
একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হিসেবে আলোচনায় এসেছে। গত ১৯ মে রাতে মামলা দায়েরের পর মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্র গ্রহণের পর মামলাটি বিচারিক কার্যক্রমের জন্য শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।
ঈদুল আজহার ছুটির মধ্যেও বিচারকাজ অব্যাহত রাখতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ১ জুন দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয় এবং পরদিন সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। মামলার ১৬ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন। একদিনেই সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন হয়, যা বিচার প্রক্রিয়াকে দ্রুত এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
পরবর্তীতে আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানিতে প্রধান আসামি সোহেল রানা নিজের দায় স্বীকার করে আদালতের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। অন্যদিকে সহ-আসামি স্বপ্না আক্তার নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। এরপর রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শুনে আদালত রায়ের জন্য আজকের দিন নির্ধারণ করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তার গত ১৯ মে নিখোঁজ হওয়ার পর প্রতিবেশীদের সহায়তায় একটি ফ্ল্যাটে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়।
আজকের রায়কে কেন্দ্র করে ভুক্তভোগী পরিবারসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।